Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন কেভিন ওয়ার্শ

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

Foto : Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন কেভিন ওয়ার্শ

Todaybangladeshnews.com – য ক তর ষ ট র র - যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নেওয়া হয়েছে কেভিন ওয়ার্শকে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) সিনেট বৈঠকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বাক্ষরিত করেন। এই নিয়োগের সাথে সিনেটে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সিনেট ব্যাংকিং কমিটি এবং পুরো সিনেট বৈঠকে বিভিন্ন দলের সদস্যদের মধ্যে বিশেষ তর্ক অনুষ্ঠিত হয়। কেভিন ওয়ার্শের শপথ নেওয়া ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে মার্কিন অর্থনীতি ও মুদ্রানীতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

নতুন চেয়ারম্যানের সামনে বিতর্ক

য ক তর ষ ট র নিয়োগ দ্বারা সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতারা তীব্র আপত্তি প্রকাশ করেন। সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এ নিয়োগে আপত্তি জানান যে ওয়ার্শ বৈষম্য নীতিমালা বা মুদ্রানীতি বিষয়ে স্বাধীন অবস্থান রাখতে পারবেন না। তিনি সামনে পরিচিত প্রতিবেদনে বলেন, “য ক তর ষ ট র কাজের সময় তিনি যাই করুন, তার দিকে কাউকে না দেখে প্রতিক্রিয়া দিতে হবে।” কিন্তু ওয়ার্শ তার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন যে তিনি মুদ্রানীতি ও আর্থিক নীতিমালার সামনে স্বাধীন ভাবে কাজ করবেন।

“আমার দায়িত্ব সবার মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় কর্ম হিসেবে আমি য ক তর ষ ট র সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজের পক্ষে ভোট দেব।”

সিনেটর জন ফেটারম্যান য ক তর ষ ট র নিয়োগের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। তিনি একটি বিতর্কিত মুদ্রানীতি বিষয়ে এই নিয়োগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করেন। কেভিন ওয়ার্শের প্রথম সভাপতিত্ব প্রসঙ্গে য ক তর ষ ট র কাজের ক্ষেত্রে তিনি নতুন নীতিমালা নির্ধারণে ক্রমাগত সাবেকি চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের সাথে তুলনা করা হয়।

য ক তর ষ ট র প্রভাব ও দায়িত্ব

য ক তর ষ ট র চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী ১৬ ও ১৭ জুন অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি নতুন নীতিনির্ধারণী বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। সিনেটে নিয়োগটি পাশ করার পর এই পদে ওয়ার্শের মুদ্রানীতি বিষয়ে প্রভাব আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। এটি সামনে মার্কিন আর্থিক বাজেট ও মূলধন নীতিমালার প্রসার করতে পারে। এছাড়াও বিশ্ব অর্থনীতি বিষয়ে য ক তর ষ ট র বৈঠকে প্রস্তাব আনতে পারে।

য ক তর ষ ট র চেয়ারম্যান হিসেবে এই পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। তিনি নিয়মিত সিনেট বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন যাতে তার সিদ্ধান্ত দ্বারা য ক তর ষ ট র নীতিমাল