Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কর্মীর মামলা, চাকরি রাখতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কর্মীর মামলা, চাকরি রাখতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ য ক তর ষ ট র ভ - টেক্সাসে প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলার বকেয়া মজুরি ও আদায়কৃত অর্থ মিলিয়ে

Desk Uncategorized
Published June 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কর্মীর মামলা, চাকরি রাখতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

য ক তর ষ ট র ভ – টেক্সাসে প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলার বকেয়া মজুরি ও আদায়কৃত অর্থ মিলিয়ে অভিযুক্তদের কাছে মিসালার পাওনা কমপক্ষে ৯৭ হাজার ২৪৮ দশমিক ৯৪ মার্কিন ডলার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় ঋষিকেশ রাজ মিসালা তার ভারতীয়-আমেরিকান নিয়োগকর্তা সাই জিতেন্দর কালাগ্রার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে তাকে চাকরি ও অভিবাসন বৈধতা বজায় রাখতে জোরপূর্বক অর্থ পরিশোধ করার হুমকি দেওয়া হয়।

চাকরি বজায় রাখার চাপ

নথিপত্র অনুযায়ী, মিসালার কর্মসূচি স্পনসর করা হয়েছিল এবং তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান। যাইহোক, কোম্পানিটি তার জন্য কোনো সক্রিয় প্রকল্প বা কাজ বরাদ্দ করেনি। অভিযোগ করা হয়েছে যে চাকরি বজায় রাখার জন্য তাকে বড় অঙ্কের অর্থ দিতে বাধ্য করা হয়।

বানিয়াস ল’ অভিযোগ করেছে যে এ ঘটনায় শ্রম পাচার, জোরপূর্বক শ্রম গ্রহণ এবং নথিপত্র আটকে রাখার মতো গুরুতর অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে।

ভারতীয় পেশাজীবীর ঝুঁকি

মিসালা ছাত্র ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ২০২৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে তিনি এইচ-১বি ভিসার স্পনসরশিপের সুযোগ ছিল একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান। সাধারণত এই ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি দক্ষ পেশাজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ পান এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার পথও তৈরি হয়। তবে এই কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে চাকরি পরিবর্তন বা ভিসা নবায়নের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মামলার বিষয়ে নথি অনুযায়ী দাবি করা হয়েছে যে অভিবাসন মর্যাদা হারানোর ভয় দেখিয়ে চাপ প্রয়োগের ফলে মিসালা শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৮০০ ডলার নগদ অর্থ পরিশোধ করেন। এই ঘটনা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে বিদেশি কর্মীদের ঝুঁকি ও নির্ভরশীলতার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বহুল ব্যবহৃত এ কর্মসূচির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ভারতীয় পেশাজীবীরা। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার (ইউএসসিআইএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-১বি আবেদনের ৭১ শতাংশই ছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত আবেদনকারীদের।

Leave a Comment