যে চারটি ইস্যুতে ওয়াশিংটনের খবরদারি চায় না বেইজিং

যে চারটি ইস্যুতে ওয়াশিংটনের খবরদারি চায় না বেইজিং

য চ রট ইস য ত ওয় – তাইওয়ান বিষয়ে আলোচনার পর গত ডিসেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করেছে সামরিক সহায়তা প্যাকেজ। এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সামরিক সহায়তা প্যাকেজ হিসেবে গণ্য। চীনের তাইওয়ানবিষয়ক দপ্তরের মুখপাত্র ঝ্যাং হান বলেন, তাইওয়ান হচ্ছে চীনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দু এবং যুক্তরাষ্ট্রের আগের প্রশাসনগুলোর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক দায়িত্ব।

চারটি লালরেখা বিষয়ে চীনের দৃঢ় অবস্থান

২০২৪ সালের নভেম্বরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে চারটি নিষিদ্ধ ক্ষেত্র নির্ধারণ করেন। বিশেষ করে তাইওয়ান প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অবস্থান এবং তাইওয়ানকে ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে চীন দেখেন।

চীনের তাইওয়ান অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের সামরিক সম্পর্কের আমরা কঠোর বিরোধিতা করি। তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রিরও আমরা দৃঢ়ভাবে বিরোধী। এ অবস্থান স্পষ্ট ও অপরিবর্তিত।

চীন নির্ধারণ করেছে চারটি লালরেখা যার মধ্যে সামরিক সম্পর্ক এবং তাইওয়ান প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত। চীনের তরফে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ে কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না বলে সতর্ক করা হয়। এই বিষয়গুলো কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয় চীনের পক্ষে।

আনুষ্ঠানিক নীতি এবং প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওয়ান চায়না’ নীতির আওতায় তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো অবস্থান নেয় না। তবে আইন অনুযায়ী তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সহায়তা দিতে বাধ্য ওয়াশিংটন।

চীন দুই দেশের সম্পর্কের সঠিক পথ হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সহযোগিতাকে উল্লেখ করে। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের চারটি লালরেখা চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *