Uncategorized

যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

Road

যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

বাজেটে আনুমানিক অর্থ বরাদ্দ কিভাবে খাতে বিভক্ত হয়েছে

Todaybangladeshnews.com – য গ য গ অবক ঠ ম – আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে মোট ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে। এ বরাদ্দ দ্বারা দেশের সড়ক, রেলপথ এবং সেতু খাতে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ পরিকল্পনার বিস্তার নিয়ে বাজেট বক্তৃতায় আলোচনা করেন। তিনি জানান, বর্তমান বাজেটে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ৩৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৯ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা এবং সেতু বিভাগে ২ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে এ পরিমাণ বরাদ্দ দ্বারা দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অক্ষুণ্ময় ও সুষ্ঠিত রাখার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য হল যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে সম্পূর্ণ সমৃদ্ধতা নিশ্চিত করা। সড়ক পরিবহন খাতে প্রধানত দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত হওয়া রাজমার্গ ও স্থানীয় সড়ক সংস্কার করা হবে। এ বরাদ্দ দ্বারা নতুন সড়ক প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে পরিবহনের সময় কমে আসে। রেলপথ খাতে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সময় সুনিশ্চিত করার জন্য এ পরিকল্পনা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ প্রাথমিক ভূমিকা পালন করছে সড়ক ও রেলপথ খাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি কর্মসূচির সাথে সম্পাদিত করার জন্য।

পরিকল্পনার ফলাফল ও ক্ষেত্রে সমাপ্তি

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং তা বিকাশের দিকে এগিয়ে চলবে। নতুন প্রকল্পগুলি দ্বারা দেশের মানব ও মাল পরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হবে। যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে প্রতি বছর আরও বেশি পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হবে যাতে জনগনের জীবন সুবিধাজনক হয়।

বরাদ্দের মাধ্যমে নতুন সেতু নির্মাণ ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পগুলি এ বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক প্রকল্পগুলি ক্রমাগত গুরুত্ব প্রদান করা হবে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের পরিবহন গতিশীলতা বৃদ্ধি করা হবে এবং সড়ক পরিবহন খাতে আরও ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *