র মপ র য় ম নবত ব – রামপুরা অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধে তিন আসামিকে মৃত্যু শাস্তি দেওয়া হয়েছে
ট্রাইব্যুনালের নিকট থেকে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা
র মপ র য় ম নবত ব – রামপুরা অঞ্চলে ঘটে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন আসামিকে মৃত্যু শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত রোববার (২৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় ঘোষণা করা হয়। আসামিরা হলেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান। প্রতিটি আসামি কেন এই মামলায় স্থান পেয়েছেন তা নিয়ে বিচারক গৃহীত তথ্য আলোচনা করেন।
মামলার প্রসঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল র মপ র য় ম নবত ব এর ক্রমাগত হামলার পরিণতি দেখার জন্য। বিচারক ব্যাখ্যা দেন যে সাজার তৈরি করা হয়েছে এই অপরাধের গুরুত্ব ও ক্ষতিগ্রস্তদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনুযায়ী। আদালত পর্যবেক্ষণ দেন যে প্রতিটি আসামি কেন এই মামলায় নিয়োজিত হয়েছেন এবং কী বিষয়ে তাদের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
মামলার পটভূমি ও ঘটনা বিবরণ
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বনশ্রী এলাকায় মো. নাদিম হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই দিন আমির হোসেনকে নির্মাণাধীন ভবনে ঝুলে থাকা অবস্থায় গুলি করে আহত করা হয়। এই অপরাধে শিশু মুসার মাথা ভেদ করে গুলি করা হয়, যেখানে দাদি মায়া ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনা র মপ র য় ম নবত ব এর সামনে একটি চূড়ান্ত দৃষ্টিকোণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
আদালত বিচারের প্রক্রিয়ায় বিশদ বিশ্লেষণ করেন যে এই অপরাধ কীভাবে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হয়েছে। সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে কারাগারে রাখা হয়েছিল, তিনি বিচারের সময় সেই ঘটনার স্থান ও সময়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
আদালত বিচার করেন যে র মপ র য় ম নবত ব এর প্রতিশোধ করার প্রক্রিয়া কেন এই মামলায় প্রয়োগ করা হয়েছে। তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত নির্ণয়ে সম্পূর্ণ তথ্যাবলী বিচারের নিকট তুলে ধরা হয়। এই মামলার সাথে মোট পাঁচটি মামলার রায় প্রদান করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তাব কেন দেওয়া হয়েছে তা বিচারক নির্দেশ দেন যে এই অপরাধ করে সংঘটিত হয়েছে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে দৃঢ় নির্দেশ প্রদান �
