সাইবার আস্থা: একটি ‘ডিজিটাল সেফ সিস্টেম’ পদ্ধতি
সাইবার আস্থা: একটি ‘ডিজিটাল সেফ সিস্টেম’ পদ্ধতি
Todaybangladeshnews.com – স ইব র আস থ - আমাদের ডিজিটাল সমাজে আস্থা একটি অদৃশ্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করে। ডব্লিউএসআইএস সি১ থেকে সি১১ অ্যাকশন লাইনের মধ্যে দুই দশকের বেশি আগে তথ্য ও নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছিল। এখন সেই প্রশ্ন আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কৃত্রিম কণ্ঠ এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল হুমকির কারণে।
ডিজিটাল সমাজে মানুষ ভুল করবে তার আস্থার সাথে প্রযুক্তি যে সমাজে তাদের গুরুত্ব কম হয়ে আসছে তা প্রমাণ করে। কল্পনা করুন, আমরা অনেক আধুনিক ডিজিটাল মহাসড়ক তৈরি করেছি। তবে কার্যকর সিগন্যাল বা গতিনিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেই ধরনের সংঘটন ডিজিটাল সাহিলতার ক্ষেত্রে বিস্তারিত হয়েছে।
ডিজিটাল পৃথিবীতে আমরা প্রায় প্রতিদিন এমন প্রশ্ন করি: “আপনি আরও সতর্ক হলেন না কেন?” যেখানে কয়েক সেকেন্ডে ক্ষতি লাখো মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়তে পারে, সেখানে ইন্টেলিজেন্ট ফ্রিকশন বা বুদ্ধিমান নিয়ন্ত্রিত বিরতি প্রয়োজন। সন্দেহজনক লেনদেন সাময়িক থামানো এবং ভাইরাল সিনথেটিক কনটেন্ট ধীর করে প্রবাহিত হওয়া উচিত।
প্রথম স্তম্ভ: নিরাপদ ডিজিটাল মানুষ
জীবনব্যাপী সাইবার সাক্ষরতা এবং তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা আমাদের সমাজে প্রয়োজন। স্থানীয় ভাষায় ব্যবহারিক ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা তথ্যপ্রযুক্তি গ্রহণের সুযোগ দেয় না। সে সুযোগ দেয় আস্থা ও সাহায্যের প্রতি জাতীয় স্তরে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত।
দ্বিতীয় স্তম্ভ: নিরাপদ ডিজিটাল অবকাঠামো
নিরাপদ, সহনশীল ও মানবাধিকার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ডিজিটাল পাবলিক ইনফরমেশন সিস্টেম ও ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থা প্রয়োজন। আমাদের নেটওয়ার্কে মানুষের ভুল অপরিবর্তনীয় ক্ষতি ঘটাতে পারে না। তাই ব্যবহারকারীর দায়িত্ব স্থানীয় মানুষের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়া আবশ্যক।
তৃতীয় স্তম্ভ: নিরাপদ ডিজিটাল প্রযুক্তি
AI, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ডেটা ব্যবস্থা ও আর্থিক সেবা অস্বাভাবিক আচরণ শনাক্ত করতে হবে। নিরাপত্তা কোনো ঐচ্ছিক সেটিং নয়। এটি ডিফল্ট হিসেবে প্রয়োজন। যেখানে একটি ক্ষতিকর প্রক্রিয়া তৈরি হয়, সেখানে তার প্রতি নিরাপত্তা প্রয়োজন হয়।
চতুর্থ স্তম্ভ: নিরাপদ ডিজিটাল গতি
AI যুগে ডিজিটাল গতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। আমরা ডিজিটাল সড়ক তৈরি করেছি, যার মধ্যে দিয�