Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সৈন্য হত্যা মামলায় পাকিস্তানে মানবাধিকার কর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Published June 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

পাকিস্তানে মানবাধিকার কর্মীকে সৈন্য হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Todaybangladeshnews.com – স ন য হত য ম মল - সৈন্য হত্যা মামলায় পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি আদালত মানবাধিকার কর্মী মাহরাং বেলুচ এবং তাঁর সহযোগী সিবঘাতুল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ জরিমানা হিসেবে ২ লাখ পাকিস্তানি রুপি বৃত্তি করা হয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে সৈন্য হত্যা মামলায় প্রতিবাদীদের দায়ীত্ব স্থির করা হয়েছে এবং তাদের হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি সাধারণ কর্মীদের প্রতি আদালতের বিচারের গুরুত্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিক্ষোভের ঘটনা এবং বিচারের প্রক্রিয়া

সৈন্য হত্যা মামলার প্রধান ঘটনা গোয়াদরে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভ সমাবেশে ঘটে। বিবিসি প্রতিবেদন অনুযায়ী এই ঘটনায় ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারি সদস্য শাব্বির আহমেদকে হত্যা করা হয়েছিল। আদালতের নথিতে দাবি রয়েছে যে মাহরাং বেলুচ বিক্ষোভে উসকানি দিয়েছিলেন এবং সিবঘাতুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি দায়ী বলে স্থির করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়ায় আইনজীবীদের মতে সৈন্য হত্যা মামলায় প্রত্যক্ষ দর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়নি এবং চার্জ দায়ীত্ব নির্ধারণের জন্য প্রক্রিয়া অনিশ্চিত ছিল। এই ঘটনার পরিণতি হিসেবে বিবিসি এটিকে সৈন্য হত্যা মামলায় স্থায়ী দায়ীত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত নির্দেশ বলে করেছে।

আইনজীবীদের প্রতিবাদ এবং কারাদণ্ডের কারণ

আদালতের রায় প্রতিবাদের জন্য মাহরাং বেলুচের বোন ও আইনজীবী নাদিয়া বেলুচ করেছেন যে এই সৈন্য হত্যা মামলায় প্রতিবাদীদের মুখোশহীন আদালত থেকে রায় প্রদান হয়েছে। তাঁদের মতে সৈন্য হত্যা মামলায় আইনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ পরিষ্কার ছিল না। আদালত প্রত্যক্ষ দর্শীদের সাক্ষ্য সংগ্রহ করেনি বলে আইনজীবীদের প্রতিবাদ ছিল। সাথে সাথে সৈন্য হত্যা মামলায় আইন প্রয়োগের গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ করা হয়েছে।

পাকিস্তান মানবাধিকার কমিশন সৈন্য হত্যা মামলার রায়ের পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। কমিশন আরও দাবি করেছে যে রাষ্ট্র ভিন্নমত ও মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রতি সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার কর্মীদের দায়ী বলে মনে করা হয়নি। এটি সৈন্য হত্যা মামলার প্রতি সংস্থাগুলি দ্বারা আরও গুরুতর পরিস্থিতি নির্মাণের পরিচায়ক।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সৈন্�