হামে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হ ম ময়মনস হ ম ড ক – হ ম ময়মনস হ ম ড ক – ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের বয়স যথাক্রমে ৪ মাস এবং ১০ মাস। মৃত শিশুদ্বয়ের একজন জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং অপর জন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। হাম আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ঘটার পর হাসপাতাল পরিচালনার তরফে একটি নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে যে এই মাসে শিশুদের হাম আক্রান্ত হওয়া সংখ্যা চিন্তার বিষয়।
হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বছরের মার্চ থেকে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে আসছে এবং চলতি বছরের মে মাসে হাসপাতালে মোট ১ হাজার ২৯৩ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে আশা করা যায় যে কমপক্ষে ২০০ জন শিশু হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এখনও হাসপাতালে আটকে রয়েছে মোট ৯৬ জন রোগী, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া আরও গুরুতর
হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া নতুন করে পরিবর্তিত হয়েছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, “ফেব্রুয়ারি থেকে শিশুদের হাম আক্রান্ত হওয়া শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য হাসপাতালটি আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।”
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে ২৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ২১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। হাম রোগের কারণে হাসপাতালের ভবন ভর্তি হওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক সরবরাহ সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি রোগীকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
হাম রোগের পরিস্থিতি বৃদ্ধি পেয়া দেখে হাসপাতাল পরিচালনার তরফে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই বছরের এপ্রিল থেকে মে মাসে শিশুদের হাম আক্রান্ত হওয়া প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
হাম রোগ বিস্তারের কারণ খুঁজে বার্ষিক পরিচালনার তরফে একটি বিশদ বিশ্লেষণ আয়োজন করা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসছে যে সম্ভবত পরিবেশের অবনমিত অবস্থা এবং গ্রীষ্ম মৌসুমে শিশুদের প্রতিরক্ষা শক্তি কমে গেছে তাই মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রতিটি দিন ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে আসছে এবং বর্তমানে চারটি মেডিকেল টিম এই স্থানে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
