Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৪ বছর পূর্তির আগেই পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩,৪২৯ কোটি টাকা

Published July 1, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Matthew Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Matthew Thomas - todaybangladeshnews.com

পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩,৪২৯ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে চার বছর পূর্তির আগে

টোল ও ভ্যাট আদায় সংক্রান্ত তথ্য

Todaybangladeshnews.com – ৪ বছর প র ত র আগ - দেশের একটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত পদ্মা সেতু থেকে চার বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই টোল আদায় হয়েছে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বেশি। সরকারের ঋণ পরিশোধের জন্য সংগৃহিত টোল অর্থের সাথে সাথে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই সেতু দিয়ে মোট ২৯ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত পারাপার হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন। এসব যানবাহন থেকে সংগৃহিত টোল আয় হয়েছে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা।

উদ্বোধন ও নির্মাণ প্রক্রিয়া

বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে উদ্বোধন করা হয়। তার পরদিন থেকে যান চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, সেতুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। তিনি যুক্তিবাচকভাবে বলেন, সেতুর পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ঋণ কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং অর্থ বিভাগের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা দুই শতাংশ সুদে ৩৫ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এজন্য প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি হিসেবে ১৪০ কিস্তিতে পরিকল্পনা রয়েছে।

অবকাঠামো উন্নতি ও কার্যক্রম

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিক টোল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ইউনিফায়েড ন্যাশনাল ইটিসি ফ্রেমওয়ার্ক (ইউএনইএফ) বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিক ও ডিজিটাল করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পদ্মা সেতুর নকশা ও নির্মাণপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং মাওয়া-জাজিরা অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল।