বিশ্বকাপের ৯৬ বছরে প্রথমবার, যে কীর্তি তিন ফুটবল মহাতারকার
ব শ বক প র ৯৬ বছর – ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ছেলেটি হাজির হন নাম লিওনেল মেসি। সেই গ্রীষ্মে তিনি জার্মানির স্পোর্টসফিল্ডে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে এক গোল এবং এক অ্যাসিস্ট করেন কয়েক মিনিটের মধ্যে। তখন তার বয়স মাত্র ১৮ বছর। তার আবির্ভূত হওয়া দ্বারা এই কীর্তি নিশ্চিত হয় বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে ছোট গোলদাতার চূড়ান্ত আয়োজন হিসেবে।
একই সময়ে জার্মানির অপর প্রান্তে নিয়োগ করা হয় পর্তুগিজ ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সেই একই গ্রীষ্মে ইয়োরোপের মাটিতে তার ক্রীড়া ধারণার সঙ্গে গোল করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা চলছিল। তিনি অনুশীলনে আমোদ পান কিন্তু কাতারে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি তাঁকে।
খেলোয়াড়দের আবিষ্কার ও শক্তির চূড়ান্ত আয়োজন
২০২৬ সালের বিশ্বকাপে তিনজনের নাম সামনে আসে যারা সামনে কমপক্ষে ছয়টি বিশ্বকাপ পর্বে আবির্ভুত হয়েছেন। এই কীর্তি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেই সময়ে আর কারও নেই। সামনে এখন তিনজনের একটি ছোট স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বিশ্বকাপে গোল করতে চাওয়া শুধু তাদের প্রতিযোগিতার একটি ধাপ হিসেবে।
কে জানত, বেঞ্চে কাটানো সেই হতাশার গ্রীষ্মটাই একদিন গণনায় আসবে ইতিহাসের বিরলতম রেকর্ডের প্রথম ধাপ হিসেবে।
২০২৬ সালে তিনজন সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় এক আসরে যোগদান করতে পারবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। বিশ্বকাপে গোল করতে পারবেন তিনি যে সময়ে তাঁর ক্রিকেট এবং বিশ্বকাপের সামনে ছয়টি পর্বে সামিল হওয়া বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে বড় চূড়ান্ত আয়োজন হিসেবে কিন্তু বিশ্বকাপে গোল করতে পারলে তাঁদের সবচেয়ে বড় কীর্তি হবে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে মাত্র তিন খেলোয়াড় কমপক্ষে ষষ্ঠ পর্বে আবির্ভুত হয়েছেন
মেক্সিকো স্কোয়াডের এক বিশ্বকাপে মুখ করে গেলেন গিয়ের্মো ওচোয়া। তিনি ক্লাব আমেরিকায় সামনে গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত। তাঁর যাত্রা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আয়োজনের সামনে শুরু হয়। ২০০৬ সালে তিনি এক মিনিটও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। কিন্তু এই বেঞ্চের অবিশ্বাস্য ধৈর্যের গল্পটি যায় সেই অবিশ্বাস্য সেভগুলো বিশ্বকাপের স্মরণীয় গোলকিপিং পারফরম্যান্সের একটি হয়ে আছে।
তিনজনই যথেষ্ট বড় চূড়ান্ত আয়োজন পেয়েছেন যে একটি একটি বিশ্বকাপের জন্য সব সময় নামা�
