গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, নকআউটে সঙ্গী মরক্কো
গ র প চ য ম প – বিশ্বকাপ পর্বে ভিনিসিয়াস জুনিয়র নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি দুটি গোল করেছেন। ব্রাজিল তারকা ম্যাথিয়াস কুনহার গোলে দুই জয় ও এক ড্রয়ের ফলে গোল পয়েন্ট পরিমাণে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে প্রবেশ করেছেন।
গ্রুপ-সি পর্বের আখরটি
মরক্কো হাইতির বিপক্ষে ৪-২ গোলে জিতেছে। ম্যাচের ১০ মিনিটে হাইতি লিড পায়, যেখানে মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন। তার গোলটি ১৮,৯৯৪ দিন (৫২ বছর ১ দিন) পর হাইতির বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড হিসেবে নথিভূক্ত হয়েছে।
গ্রুপপর্বের লড়াই শেষে ব্রাজিল ও মরক্কো দুই দলই পয়েন্ট সংখ্যা ৭ করে। গোল ব্যবধানে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, আর মরক্কো রানার্সআপ হয়ে নকআউটের দৌড়ে অগ্রসর হয়েছে। স্কটল্যান্ড এখনও টপ আট তৃতীয়স্থান হিসেবে নকআউট পর্বে যোগদানের জন্য অ্যাক্টিভ রয়েছে।
ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলি
মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৭ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলকে লিড এনে দেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে তিনি দ্বিতীয় গোল করেন। বিরতি থেকে ফিরে আসার ৬১ মিনিটে ম্যাথিয়াস কুনহা তৃতীয় গোল করেন।
অন্যদিকে আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো এবং ইসমায়েল সাইবেরি সহ অন্যান্য খেলোয়াড়দের কার্যকলাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। মরক্কো এক গোল করে সমতা ফেরান আশরাফ হাকিমি, তবে চার মিনিট পর উইলসন ইসিডোর গোলে তারা লিড বাড়িয়ে তোলে।
বিরতির পর ফিরে ম্যাচের ৪৫ মিনিটে সাইবেরি গোল করে সমতা ফেরান, আর ম্যাচের ৭৮ মিনিটে সুফিয়ান রাহিমি গোল করে মরক্কোকে পুনরায় লিড নেয়া হয়। শেষ পর্যায়ে ইয়াসিন গেসিম গোল করে ব্যবধান বাড়ান। ফলে মরক্কো নকআউট পর্বে প্রবেশ করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে একের অধিক গোলের কীর্তি স্থাপন করে।
আগে ১৯৭৪ সালের ২৩ জুন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হাইতির শেষ বিশ্বকাপ গোল করেছিলেন মানো স্যানন। সে ম্যাচে হাইতি ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল। এই মুহূর্তে মরক্কো হাইতিকে খালি হাতে বিদায় দেয়।
