ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল তাইওয়ান
ট র ম প র মন তব – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের পর তাইওয়ান সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করেছে বলে জানায়। তবে দ্বীপটির সরকার জানিয়েছে যে তারা চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পরিকল্পনা নেই। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
১৬ মে শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তাইওয়ান এ মত প্রকাশ করেছে। পরের দিন ট্রাম্প বেইজিং থেকে ফেরার পথে বিবৃতিতে চীনের দ্বীপ দ্বারা সম্পর্কে বলেন, “আমি কাউকে স্বাধীন হয়ে যেতে দেখতে চাই না।” তিনি বিশেষ করে তাইওয়ানের স্বাধীনতার প্রশ্নে মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের পরিস্থিতি শান্ত হোক, চীনও শান্ত থাকুক।
ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি এ বিষয়ে কোনো পক্ষে প্রতিশ্রুতি দেননি। এ ছাড়া আমি এখনো অনুমোদন দিইনি তাইওয়ানের জন্য নতুন অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন দিতে পারি, আবার নাও দিতে পারি।”
প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার মূল্যে অস্ত্র বিক্রি শুধু নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নয়, এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থাও। তাইওয়ানের জন্য এ প্যাকেজ অনুমোদন করেছে মার্কিন কংগ্রেস, কিন্তু ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেননি।
তাইওয়ানের প্রশ্ন বহু দশক ধরে উত্তেজনাপূর্ণ একটি সমস্যা হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে ইতিহাসের শিকড় আছে চীনা গৃহযুদ্ধ পর্যন্ত। মার্কিন প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের স্বাধীনতা সমর্থন করে না, তবে অস্ত্র বিক্রি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারটিকে সমর্থন করে আসছে।
চীন সামরিক হুমকির ক্ষেত্রে তাইওয়ানের বিবৃতিতে জানানো হয় যে, এই অঞ্চলে প্রকৃত নিরাপত্তাহীনতার উৎস হলো চীনের সামরিক বিস্তার। যুক্তরাষ্ট্র ওয়ান চায়না নীতি মেনে চলে, যার আওতায় চীনের দ্বীপ তাইওয়ানকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে পরিচিত করে আসছে।
