তলিয়ে গেছে ঘাটের সংযোগ, কিশোরগঞ্জ হাওরে ফেরি চলাচল বন্ধ
তল য় গ ছ ঘ ট র – বৃষ্টিপাতের প্রবল হামলার কারণে কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলে ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পরিমাণ দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর থেকে কয়েক দিন ধরে ঘোড়াউত্রা এবং ধনু নদী সহ বিভিন্ন নদীর পানি ভাসমান হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি ফেরি চলাচলের উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে এবং ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে এর ফলে সড়ক পানিতে ঢুকে পড়েছে। ফলস্বরূপ কিশোরগঞ্জ হাওর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাটগুলি বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থার কারণে এলাকার মানুষদের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব অস্থিতিশীল হয়ে আসছে। কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে এবং কারণে এখন অনেকে বিপর্যস্ত হয়েছেন।
বিভিন্ন ফেরিঘাটে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে
গত কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি হওয়ার ফলে হাওর অঞ্চলে ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে। ফলস্বরূপ বিভিন্ন ফেরিঘাট প্রায় সম্পূর্ণ ভাসমান হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ও বলদা ফেরিঘাট বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বাজিতপুর উপজেলার পাটুলি ফেরিঘাট এবং করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও চামড়াঘাট সহ নানা স্থানে ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে এর কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কয়েক দিন ধরে সড়ক বৃষ্টির কারণে ভাসমান হয়ে পড়েছে এবং এই অবস্থায় অনেকে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না।
আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুম মিয়া বলেন, “যে কোনও মানুষ দেখতে পেল যে ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে। আজ সকালে আমাদের ফেরি ঘাট পানিতে ঢুকে পড়েছে। ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আগে সহজেই ফেরি ব্যবহার করে করে পারতাম কিন্তু এখন আমাদের অবস্থা খুব কষ্টকর হয়ে আসছে।”
বিপর্যস্ত অবস্থায় এই অঞ্চলে স্থানীয় মানুষদের জীবন বেশ আংটি খাওয়া হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে এবং এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিনষ্ট করেছে। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ হাওর অঞ্চলে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে এবং প্রতিদিন মানুষ অবশ্যই বিভিন্ন সূত্রে যোগাযোগ করে না। যাতায়াত বন্ধ হওয়ার কারণে পণ্য সরবরাহ এবং সেবা বিস্তার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই অবস্থায় অনেক মানুষ সম্প্রতি তাদের কৃষি এবং পশুপালন কাজে বিপর্যস্ত হয়েছেন।
রাজ্য সরকারের প্রতিক্রিয়া কী?
ঘাটের সংযোগ তলিয়ে গেছে এর কারণে কিশোরগঞ্জ জেলার প্রান্তে ঘ
