পবিত্র আশুরা যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ জুন পালিত হবে
যথ য গ য মর য দ – পডকাস্টে শুনুন এই খবরটি: বাংলাদেশের আকাশে হিজরি বছরের নতুন মাস মহররমের চাঁদ দেখা হয়েছে। সেই ভিত্তিতে আগামী শুক্রবার, ২৬ জুন দেশে পবিত্র আশুরা দিবস পালন করা হবে।
১৭ জুন বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে হিজরি বছর ১৪৪৮। এ বছরের শেষ মাস জিলহজের শেষ দিন হয়েছে ২৯ দিন। তার পরে মহররম মাসের শুরু হবে। মুসলমানদের জন্য এই মাসের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত।
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আয়োজিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভার সভাপতি হিসেবে কাজ করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফজলুর রহমান। সভায় বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণের পর হিজরি বছর ১৪৪৮ এর মহররম মাসের চাঁদ দেখার ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আশুরা দিবস নির্ধারিত হয়েছে।
আশুরা ইসলামের মূল ঐতিহ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিন
আশুরা দিবস ইসলামী ঐতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করেছে। কারবালার ঘটনার কারণে হজরত ইমাম হোসেন (রা.) এর শাহাদত স্মরণ করে এই দিনটি মুসলিম বিশ্বে গভীর শোক ও স্মৃতির চিহ্ন হিসেবে পরিচিত।
ইসলামী ঐতিহাসে আশুরা দিবস অনেক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) এর শাহাদত এ দিনের স্মৃতিস্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
শিয়া সম্প্রদায় আশুরা দিবসের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তবে এই দিনের স্মরণ কেবল কারবালার ঘটনাকে আবরণ করে না, ইসলামী ঐতিহ্যে এটি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঘটনার সাথে জড়িত।
হাদিসে আশুরা দিবসে রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান এই দিনের সাথে আগের বা পরের দিনগুলি মিলিয়ে রোজা পালন করেন।
