ফ্যাসিষ্ট আমলের মত ঋণ করে ঘি না খাওয়ার কথা বলে আবার ঋণেই ভরসা
অর্থনীতির বিধ্বস্ত অবস্থাকে সমৃদ্ধতার পথে পরিচালনা করার ঘোষণা
ফ য স ষ ট আমল র – ফাসিষ্ট আমলের মত ঋণ করে ঘি না খাওয়ার কথা বলে আবার ঋণেই ভরসা দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রকাশ্যে নীতি ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, চালু করা হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়নের দিকে সংস্থাপনের সাথে সাথে সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তবে এই পরিকল্পনা অনুসারে প্রতি বছর ব্যবসায়িক কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে সরকার দ্বারা বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ঋণের মাধ্যমে নতুন ভরসা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। এই ধরনের ঋণ করার বিষয়টি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের কাছে সংশয় জাগিয়েছে এবং পূর্বে ফাসিষ্ট আমলের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা করা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী মাহমুদ চৌধুরী তাঁর বক্তৃতায় ফাসিষ্ট আমলের মত বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ঘটানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ঋণের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে এবং এটি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তার ঘটানোর জন্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এই ধাপে প্রতি বছরে বাজেট সাধারণত বিস্তার এবং সংকট দূর করার জন্য ঋণ নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফাসিষ্ট আমলের প্রতিক্রিয়া করে এই পরিকল্পনার মধ্যে স্বাধীনতা বজায় রাখা সম্ভব হবে কিনা সেটি চরম বিশেষজ্ঞদের কাছে অনুমান করা হচ্ছে।
ঋণ বৃদ্ধির দরুন সমাজের ভারসাম্য বিপন্ন হচ্ছে
ফাসিষ্ট আমলের মত ঋণ করে আবার কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রস্তাব সম্পর্কে আলোচনা করা হচ্ছে। সরকারের সাথে যোগাযোগ করে সংকট দূর করার জন্য ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং তা বিস্তার করে ব্যবসায়িক মানুষ ও সাধারণ মানুষের জন্য উপাদান সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি ঘটানোর দরুন সমাজের ভারসাম্য বিপন্ন হচ্ছে এবং সম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য ঋণ করার সময় মানুষ সম্পূর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই ধরনের ঋণের ফলে বাজেটে প্রতিবছরের বৃদ্ধি ঘটেছে যা পরিশেষে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ করতে সক্ষম হয়নি।
ফাসিষ্ট আমলের মত ঋণ করার ফলে ব্যবসায়িক সমাজ কিছুটা বিস্তার পেয়েছে এবং কর্মসংস্থানের সমস্যার দিকে অগ্রসর হয়েছে। তবে বর্তমান সংকট দূর করার জন্য ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং সেই মোটামুটি
