বাবার আয়ের অর্ধেক যেত তৌসিফের স্কুলের বেতনে!
ব ব র আয় র অর ধ – বাবার আয়ের অর্ধেক যেত তৌসিফের স্কুলের বেতনে একটি গুরুতর কথা বলেছেন অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি বিশ্ব বাবা দিবসের গুরুতর পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর বাবার সাহসী সিদ্ধান্ত, সংগ্রাম, এবং ভবিষ্যতের গঠনের জন্য তাঁর অবদান। তাঁর বাবা ছিলেন সংকট পরিস্থিতির মধ্যে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর ভর দেয়া ব্যক্তি। সেই সময় তাঁর আয় ছিল মাত্র ৮ হাজার টাকা মাসিক ভাবে, কিন্তু তিনি তৌসিফকে স্কুলে ভর্তি করতে সেই অর্ধেক আয় বরাদ্দ করেছিলেন। এই সিদ্ধান্ত ছিল তাঁর জীবনের একটি গুরুতর মুহূর্ত, যেখানে স্বপ্ন ছিল ছেলে ভবিষ্যতে বড় হবে, ভালো কিছু করবে, এবং সবার থেকে আলাদা হবে।
পরিবারের কর্মসূচি এবং আর্থিক সংকট
তৌসিফ আরও বলেন, আব্বু নিজের বাস্তব সমস্যা সত্ত্বেও সেই অর্ধেক আয় বাবার স্বপ্ন অনুসারে আয়ের বেতন হিসেবে সংকলন করেছিলেন। তাঁর পরিবারের সাথে আর্থিক দুর্দশা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন তিনি। সেই সময় তাঁর বাবা তাঁর কন্যার চারপাশে নিয়োগ করতে এবং কিছু প্রতিযোগিতামূলক বিষয়গুলি বরাদ্দ করেছিলেন। তৌসিফ বলেন, তাঁর বাবা ছিলেন এমন ব্যক্তি যাঁদের প্রতিটি টাকা সামান্য ব্যবহার করতে হয় যেহেতু বাস্তব জীবনের কঠিন স্থিতি ছিল। এই ব্যবস্থা ছিল তাঁদের সবচেয়ে গুরুতর মুহূর্ত যেখানে বাবার আয়ের অর্ধেক তৌসিফের স্কুলের বেতনে পৌঁছেছিল।
স্কুলের বেতনে আয়ের অর্ধেক একটি অপরিসীম অবদান
তৌসিফ আরও বলেন, বাবার আয়ের অর্ধেক তৌসিফের স্কুলের বেতনে নিয়োগ করা ছিল তাঁর বাবার কর্মসূচির একটি চূড়ান্ত ফলাফল। এই সিদ্ধান্ত ছিল তাঁর ভবিষ্যতের গঠনের জন্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, সেই সময় তাঁর বাবা ছিলেন কিছু কর্মসূচি সম্পন্ন করতে হয়, যেখানে আয়ের অর্ধেক স্কুলের বেতনে নিয়োগ করেছিলেন। সেই সময় তাঁর বাবা ছিলেন এমন ব্যক্তি যাঁর জীবন পরিস্থিতির সাথে সমান ছিল।
তৌসিফের বাবা ছিলেন এমন ব্যক্তি যাঁদের বাস্তব জীবনে সংকট ছিল, কিন্তু সেই অর্ধেক আয় তৌসিফের স্কুলের বেতনে নিয়োগ করে ছেলেটিকে ভবিষ্যতে সফল হতে সাহায্য করেছিলেন। বাবার আয়ের অর্ধেক তৌসিফের স্কুলের বেতনে নিয়োগ করা ছিল তাঁর ভবিষ্যতের জন্য একটি প্রথম কাঠামো। সেই সময় তাঁর বাবা এমন কিছু চেয়েছিলেন যে তাঁর ছেলে ভবিষ্যতে অবিলম্বে উন্নতি লাভ করতে পারে।
আমি আজ যা হয়েছি, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার বাবার। সেই দিন আব্বুর মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮ হাজার টাকা, তখন তিনি আমাকে ৪ হাজার টাকা বেতনে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি করে
