তিস্তা পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীন নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে
ত স ত প নর দ ধ – চীন তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের বিষয়ে তাদের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। দেশটি জানিয়েছে যে বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতার প্রকৃতি তৃতীয় পক্ষের প্রতি কোনো প্রভাব নয় বলে জানানো হয়েছে।
সোমবার ২৯ জুন বেইজিংয়ে সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা সর্বদাই সীমাহীন বিনিময় করে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ সম্ভবপর নয়।
“আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা কোন তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং এতে কোন তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থাকা উচিত নয়,” গুও জিয়াকুন বলেন।
তিস্তা নদী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় নয়াদিল্লি তার গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এ কারণে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন বলে ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। তিনি জানান যে দুই পক্ষ এ বিষয়ে সমঝোতার মধ্যে একমত প্রকাশ করেছে।
এই অগ্রগতির পরিণতি বিশ্লেষকদের মতে ভারতের নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। শিলিগুড়ি করিডরের স্থল সংযোগের স্থান হিসেবে তিস্তা নদী গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হওয়ায় ভারত কৌশলগত অগ্রগতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ও চীন একটি সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ বৃদ্ধি করে প্রকল্প গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শিলিগুড়ি করিডর ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একমাত্র স্থল সংযোগ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, চীনের তৃতীয় পক্ষের প্রভাব বৃদ্ধি পেলে ভারতের নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
