মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিলো না মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ম ক ত য দ ধ ক – বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ এক আলোচনায় বিশেষ স্থান দাবি করেছেন, যুদ্ধটি কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগামীদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল না। তিনি মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সংগঠিত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগ্রাম হিসেবে তা গ্রহণ করেন। তাঁর মতে, পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হামাগুড়ি দেওয়া হয়েছিল বাঙালি জনগণের এক সাধারণ সংগ্রাম হিসেবে।
মুক্তিযুদ্ধের জন্ম ও প্রকৃত উদ্দেশ্য
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরিচালিত আলোচনায় বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ একটি স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সংগঠিত সামাজিক ও রাজনৈতিক গোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত একটি সার্বজনীন সংগ্রাম ছিল। তিনি দাবি করেন, এই যুদ্ধটি শুধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য হয়েছিল বলে ধরা হয়েছে কিন্তু তা ছিল কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগামীদের সংগ্রাম নয়। পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পারে না যদি বাঙালি জনগণের একটি একত্রীকরণ হয় না। তিনি এটিকে মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রকৃত পরিচয় হিসেবে বর্ণনা করেন।
“মুক্তিযুদ্ধ ছিলো বাঙালির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সংগঠিত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।”
তিনি যুদ্ধের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার ফলে জাতি বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন। সে ঘোষণার প্রভাব মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রকৃত প্রমাণ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে আলোচনার সময় তিনি বলেন, বাঙালি জনগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধরনের সংগ্রামে অংশ নেয়। কোনো রাজনৈতিক দলের আত্মত্যাগ ছাড়া এই সংগ্রাম হতে পারে না। মেজর আহমদ এটিকে কেন্দ্রীয় হামাগুড়ি দেওয়া হয়েছিল রাজনৈতিক দলের প্রতিরোধ সংগ্রাম হিসেবে নির্ধারণ করেন। পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা বিরোধীতার প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। এ বিষয়ে তিনি অসংখ্য সাক্ষ্য দেখান।
মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে রাজনৈতিক দলের প্রতিরোধ সংগ্রামের কথা আলোচনায় আবার উল্লেখ করা হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সংগঠিত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগ্রাম হিসেবে এটি কেন্দ্রীয় হামাগুড়ি দেওয়া হয়েছিল। সেই সংগ্রামের ফলে বাংলাদেশ পাকিস্তানের জাতি রাষ্ট্র থেকে স্বাধীন হয়েছিল। তিনি মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ঘটনা হিসেবে আবারও উল্লেখ করেন।
এই যুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বাঙালি জনগণের সাধারণ প্রতিরোধ সংগ্রামের নাম দেয়া হয়। মেজর
