আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি গ্রেপ্তার হন
রংপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া চালু
আব স ঈদ হত য ম মল – আবু সাঈদ হত্যা মামলার মুখ্য অভিযুক্ত রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. মো. হাসিবুর রশীদ রংপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি শনিবার (১৬ মে) মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডে ঘটেছে। ঢাকা মহানগরের তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান ঘোষণা করেন যে রশীদ মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। তিনি ক্ষমতার কাছে আসামি হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। আবু সাঈদ হত্যার ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে আটক করেছে।
ড. মো. হাসিবুর রশীদকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তিনি কার্যত দুই বছর আগে শুরু করেছিলেন বিচার প্রক্রিয়া। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন চার্জ আরোপ করা হয়েছিল এবং তিনি সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে বিচারের প্রক্রিয়া আবার পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্তের সাজা এবং গ্রেপ্তার পরিস্থিতি
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রশীদ এক দশকের জন্য সাজা পেয়েছিলেন। তাঁর সাজার পর তিনি কোনও সম্পূর্ণ বিচারের স্থান ছিল না। তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করার প্রক্রিয়া দ্বারা পুলিশ তাঁর সাজার প্রতি বিশ্বাস প্রকাশ করেছে। আবু সাঈদ হত্যার ঘটনা সংক্রান্ত নতুন তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে তিনি আবার বিচার প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছেন। তাঁর আটক ঘটানো হয়েছে অপরাজেয় শান্তির পরিপ্রেক্ষিতে।
আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় রশীদের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মতামত সম্প্রসারিত হয়েছে। তিনি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং মামলার সংক্রান্ত সূত্রে তাঁর সাজার পর পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। আবু সাঈদ হত্যা মামলার কার্যত তিনি একমাত্র আসামি ছিলেন। পুলিশ তাঁর মুখ্য অভিযুক্ত হিসেবে নিয়ে আসা ঘটনা সংক্রান্ত সত্য প্রমাণের জন্য তদন্বন চালু করেছেন।
ড. মো. হাসিবুর রশীদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সম্পর্কে জানান, “আমি এই মামলার পলাতক আসামি ছিলাম।” তিনি বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়োগ না পেয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে। আবু সাঈদ হত্যা মামলার নিকট তাঁর আসামি হিসেবে পুনরায় বিবেচনা করা হয়েছে।
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি রশীদের আটকের পর তাঁর নিকট বিচার প্রক্রিয়ার সম্ভাবনা উঠেছে। আবু সাঈদ হত্যার ঘটনার �
