এক ব্যাংক থেকেই সাড়ে ৪ কোটি ডলার কিনল বাণিজ্যিক ব্যাংক
এক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার ক্রয়ের বিষয়টি ঘোষণা
এক ব য ক থ ক ই – বাংলাদেশ ব্যাংক একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে সাড়ে ৪ কোটি মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে বলে প্রকাশ করেছেন নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। এই ক্রয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিকল্পিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই ডলার বিনিময় করা হয়েছে। এই বিষয়টি আরিফ হোসেন খান দ্বারা যথার্থ বিবরণ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, যেখানে তিনি বলেন যে এই ক্রয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে করা হয়েছে।
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের সংকট ও প্রতিক্রিয়া
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে আগ্রাসী প্রতিযোগিতা ও বিনিময় দরের পরিবর্তনের কারণে এই ক্রয় অত্যাবশ্যক হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সুনিশ্চিত করছে যে দেশের প্রতি মাসের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। এই ঘটনার পরে চলতি মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার হয়ে ওঠে। এই পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের বৃদ্ধি ঘটায় এবং আর্থিক অবস্থা স্থিয়মান রাখতে সাহায্য করে।
ডলার ক্রয়ের বিস্তারিত তথ্য ও প্রভাব
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয় প্রায় ৫ দশমিক ৭৯৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। এই মুদ্রা তহবিলের ব্যবহার দেশের বাণিজ্যিক চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়ে আরিফ হোসেন খান বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের দৃষ্টান্ত হিসেবে এই ডলার ক্রয় প্রকাশ্যে সামনে আসে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রার আপেক্ষিক মূল্য স্থিয়মান রাখতে সমর্থন করে।
বর্তমানে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজারভ বলা হয় ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ আইএমএফ পদ্ধতিতে হিসাব করলে ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার হয়ে ওঠে। এই পার্থক্য বৈদেশিক মুদ্রার স্থায়ী সম্পত্তি এবং স্থানীয় ব্যবহারের সংগ্রহের মধ্যে ঘটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ভিত্তিতে এই ডলার ক্রয় একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবহারের প্রভাব ও সম্ভাব্য বিকল্প
আইএমএফ পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক স্থিয়মান রিজার্ভ বজায় রাখার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিষয়ে সাবেকি তহবিল ব্যবহার করে। যদিও এই পরিমাণ সাধারণত বাণিজ্য ও বিনিময় প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়, তবু এই ক্রয় বৈদেশিক মুদ্রার আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করে। এই মুদ্রা তহবিলের পরিমাণ সংকট মুক্তি করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সময় সময় বিশেষ প্রস্তাব গ্রহণ করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সাড়ে ৪ কোটি ডল
