ভোজিনহার আবেগ ফুটবল বিশ্বকাপে ছড়িয়ে গেছে
অর থ র অভ ব সঙ গ – ফিফা বিশ্বকাপের মুখোমুখি প্রথম মুহূর্তে ভোজিনহার ক্ষুব্ধতা এবং আবেগের চোট আবেগপ্রবণ হয়ে গেছে। তিনি বলেছেন, “আমার মা অর্থের অভাবে বিশ্বকাপে উপস্থিত হতে পারেনি। তিনি কাঁদতে থাকেন। কেপ ভার্দে দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্না চলেছিল তার কাছে।” এই প্রাসঙ্গিক ঘটনার সামগ্রী ছিল বিশ্বকাপে ছড়িয়ে গেছে। তার আবেগ ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠ ছেড়ে গেছে কিন্তু তার জন্ম সম্পর্কে যে টাকা দিতে হতো, তার কারণে তার মাকে সঙ্গে আনতে পারেনি।
বিশ্বকাপের মাঠ প্রথম সম্পূর্ণ ক্ষতি নয়
বিশ্বকাপের মাঠে অর্থের অভাবে সম্পূর্ণ ক্ষতি ছিল না। ভোজিনহা প্রতিযোগিতার মূল স্পেন প্রতিরোধ করেছেন নির্ভরযোগ্ব ফরোয়ার্ড হিসেবে তার গোলে বিপর্যয় ঘটিয়েছেন না। তিনি জয়ের স্পেনকে গোল না করে ড্রয় ঘটানোর জন্য ক্ষমতাশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস প্রদর্শন করেছেন। কেপ ভার্দে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্না চলেছিল তার কাছে।
তার কান্না একটি আবেগপ্রবণ পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। তিনি বলেছেন, “এই রাতটা শুধু তাদের। ভোজিনহাকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই প্রায় কান্না চলে আসছিল।” এই প্রাসঙ্গিক পয়েন্ট বিশ্বকাপে উপস্থিত হওয়া সত্ত্বেও তার আবেগ ছিল না। তার জয়ের প্রমাণ ছিল কার্যত অর্থের অভাবে সঙ্গে আনতে পারেনি মাকে কারণে তার কান্না এখনও প্রাসঙ্গিক হয়ে আছে।
বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে আবেগ বিস্তার
তিনি বলেছেন, “আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেনি। ভিসা জটিলতা এবং যে টাকা দিতে হতো সেই কারণে।” এই কারণে তার জয়ের কাহিনী এখনও প্রাসঙ্গিক হয়ে আছে। বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্না চলেছিল তার কাছে। অর্থের অভাবে সম্পূর্ণ ক্ষতি ছিল না তার প্রাসঙ্গিক কাহিনী।
আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধু তাদের। ভোজিনহাকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই প্রায় কান্না চলে আসছিল।
তার কান্না একটি অভাবের প্রমাণ ছিল বিশ্বকাপের মাঠ ছেড়ে গেছে। বিশ্বকাপের জন্ম সম্পর্কে যে টাকা দিতে হতো সেই কারণে তার মাকে সঙ্গে আনতে পারেনি। অর্থের অভাবে সম্পূর্ণ ক্ষতি ছিল না তার জয়ের প্রমাণ। তিনি মাঠে যা দেখালেন তা অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়।
বিশ্বকাপের প্রাসঙ্গিক সামগ্রী বিষয়ে ভোজিনহার আবেগ ছিল না। তিনি বলেছেন
