Todaybangladeshnews.com – আরও এক ম স থ ক র – “`html
সাহাবুদ্দিনের বঙ্গভবন ত্যাগ: আরও এক মাস থাকার সুযোগ থাকলেও বিদায়
আরও এক ম স থ ক র – আইনের বরাদ্দকৃত এক মাসের সুযোগ উপেক্ষা করেই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিয়েছেন। দায়িত্ব ছাড়ার পরও তিনি এই বাড়িতে থাকার সুবিধাটি গ্রহণ করেননি। রোববার, ২৬ জুলাই দুপুরের সময় তিনি এই ঐতিহাসিক বাসভবন ত্যাগ করে গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরে গেছেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি আরও এক মাস থাকার সুযোগটিও পরিত্যাগ করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির অবস্থান ও দায়িত্ব
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তবে তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে না থেকে স্পিকারের সরকারি বাসভবনেই থাকবেন। এই ব্যবস্থাটি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২১ মাস আগেই তিনি এই দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। তার পদত্যাগের পর থেকে আরও এক ম স থ ক র – এক মাসের সুযোগটি তাকে দেওয়া হয়েছিল।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য রাখা যায় না। তাই তার পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদটি কখনোই শূন্য থাকবে না।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার পদত্যাগের পর থেকে আরও এক মাসের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিল।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে আরও এক ম স থ ক র – এক মাসের সুযোগটি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
বঙ্গভবন ত্যাগের পর মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে তার পরিবারের সদস্যরাও গুলশানে ফিরে যান। তিনি আরও এক মাস থাকার সুযোগটি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্তটি তার স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিদৃশ্যে নতুন গতিশীলতা দেখা দিয়েছে। আরও এক ম স থ ক র – এই এক মাসের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। সংসদীয় কমিটিগুলো এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
“`

