ইরানের বিদায়ে খুশি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান
ইর ন র ব দ য খ – ইরানের বিদায়ে খুশি হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান মার্কওয়েন মুলিন। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে ইরানের অংশগ্রহণের বিষয়ে অনেক সন্দেহ উঠেছিল বলে তিনি একটি বৈঠকে উল্লেখ করেছেন যে ইরান বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে এবং আর ফিরতে চাচ্ছে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানের ভিসা প্রত্যাহার করা নির্দেশনার প্রতি আনন্দিত ছিলেন এবং বলেছেন, তার সাথে গান গাওয়া এবং নেচে ফেলা হয়েছে এমন কিছু কথা সত্যি ছিল।
ফেব্রুয়ারির বিমান হামলা থেকে বিশ্বকাপের প্রতিকূল মুহূর্ত
গত ফেব্রুয়ারির বিমান হামলা ঘটার পর বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিভিন্ন সন্দেহ উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিল। গ্রুপ পর্বে ইরান তিনটি ম্যাচই ড্র করেছে কিন্তু শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে অল্পের জন্য জয় হারিয়েছিল। কর্পোরেট ম্যাচ বিষয়ে অফসাইডের সিদ্ধান্তে দলটি নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি।
বিশ্বকাপ সংগঠনে নিরাপত্তা চালু করার সমঝোতা
বিশ্বকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে ইরান ফুটবল ফেডারেশন বার বার অভিযোগ তুলেছে। তবে তিনি বলেছেন যে এবারের বিশ্বকাপে তার দলই ছিল সবচেয়ে প্রতিকূল অবস্থায়। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল যে ইরানের অফসাইড বিষয়ে কোনও সমস্যা ছিল।
“ইরানের বিদায়ে আমাদের সঙ্গে আগে থেকেই হওয়া একটি সমঝোতা ছিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তারা যেন দ্রুত হোটেল বা বেস ক্যাম্পে ফিরে যায়, সেটিই চেয়েছিলাম। এ বিষয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল।”
তারপরে ইরানের অনুশীলন ঘাঁটি তাক্সনে থাকার কথা ছিল কিন্তু তাদের অনুশীলন স্থান সরিয়ে নেয়া হয়েছে মেক্সিকো সীমান্তবর্তী তিজুয়ানায়। ইরানের সব গ্রুপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি ম্যাচ সিয়াটলে। এই সিদ্ধান্তে ইরানের বিদায়ে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বলে মনে হয়।
ইরানের সফলতার অভাব সত্ত্বেও বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের সফলতা নির্ভর করে ইরানের বিদায়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধানের সন্তোষে। এ সিদ্ধান্তের কারণে স্বাগতিক দেশগুলি বিশ্বকাপের সফল আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে এবং টুর্নামেন্টে ইরানের ভূমিকা নিয়ন্ত্রণে রাখা �
