বিশ্বকাপের মূল্যবান বীরত্ব: গোলকিপারদের আসরে নামেন ইতিহাস
এব র র ব শ বক প – বিশ্বকাপ ফুটবল সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক আসর হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত এই আসরে খেলোয়াড়রা শুধু ম্যাচ জিততে নয়, ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠতে পারে। প্রতিটি মুহূর্তে নাটকীয় পরিস্থিতি ছাড়া কোনও আসর প্রকৃতপক্ষে বিশ্বকাপ হতে পারে না।
গোলরক্ষকদের স্থিরতা আর অপূর্ব ক্ষিপ্রতার কারণে বিশ্বকাপে খেলার পরিণতি অনেক সময় তাদের হাতে হয়। তারা দুর্দান্ত সেভ করে আপনার দলকে জয়ে সাহায্য করে যে সময় অনেক জন দর্শক অপেক্ষা করে। এই প্রতিযোগিতায় গোলপোস্টের দখল হারিয়ে দেয়া সম্ভব নয় বলে তাদের বিশেষ গুরুত্ব আছে।
ইতিহাসের গোলকিপার সাহসে মুহূর্ত নির্ধারণ করেছিলেন
ফুটবল ইতিহাসে অনেক গোলরক্ষক আছেন যারা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত মুহূর্তে আপনার দলকে সম্মান অর্জন করেছেন। যেমন ফ্রান্সের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের অদম্য পারফরম্যান্স স্মরণীয় হয়ে আছে। গত বিশ্বকাপে ম্যাচ আপনার হারিয়ে দেয়া বা জিতে দেয়া হয় তাঁদের হাতে প্রায় সব ক্ষেত্রে।
বিশ্বকাপ ফাইনালের সময় গোলরক্ষক মার্টিনেজের দুর্দান্ত সেভের কারণে আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছিল। ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কোলো মুয়ানি ম্যাচের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট হয়েছিল। কিন্তু মার্টিনেজ অতুলনীয় পারফরম্যান্সে প্রতিপক্ষকে হারায়।
সবশেষে বিপ্লব বললেন, ‘বিশ্বকাপের খেলা কেবল শুরু। ম্যাচ যত গড়াবে, ধীরে ধীরে গোলরক্ষকরাও আরও দৃশ্যমান হবে।’
মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু গত বিশ্বকাপে স্পেনকে হারায়। তিনি প্রথম ম্যাচেই এমন ভঙ্গিমায় বিশ্বকাপের আসর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। আর জাপানের গোলরক্ষক জায়েন সুজুকি তাঁর খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বকাপের নতুন স্পেকটাকাল খেলেছিলেন। তিনি মোহাম্মদ আল ওয়াইস ও লুকা জিদানের কিপিং প্রতিযোগিতা প্রতিনিধিত্ব �
