তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্য হিসেবে ভূষিত
এমস স র আজ বন সদস যপদ – বাংলাদেশের পূর্বতন অধিনায়ক এবং বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালকে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) আজীবন সদস্য হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে। এ সম্মানের সাথে নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটস ও সোফি ডিভাইন, অস্ট্রেলিয়ার মেল জোনস এবং ভারতের চেতেশ্বর পূজারাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমস স র আজ বন সদস যপদ এ ঘোষণায় তামিম বাংলাদেশের এক শ্রেণীর বৃহত্তর ক্রিকেটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার সাথে তাঁর অসাধারণ ক্রিকেট সাংস্কৃতিক অবদান একাধিক দিক থেকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
তামিমের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বিস্তার
তামিম ইকবাল দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক কর্মী ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। ২০০৮ সালে তামিম টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক করে ক্রিকেট সাংস্কৃতি বিস্তারের মাধ্যমে দেশের জনগণকে আকর্ষণ করেছিলেন। তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সাবের হোসেন চৌধুরী এবং মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা সহ প্রায় সাত দশকের ধারাবাহিকতা রয়েছে। এমস স র আজ বন সদস যপদ এ তামিমের ধীর ক্রিকেট ক্যারিয়ারের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান তাঁর মাধ্যমে একটি ঐতিহ্যবাহী অনার্স বোর্ড গঠন করেছে।
বাংলাদেশে ক্রিকেটের বিকাশে তামিমের ভূমিকা
তামিম ইকবাল বাংলাদেশে ক্রিকেটের সাংস্কৃতিক বিকাশে অবদান রেখেছেন। তিনি অনেক সময় ক্রিকেট খেলার স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। এমস স র আজ বন সদস যপদ তামিম এর দ্বারা তাঁর বৃহত্তর খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত করা হয়েছে, যার কারণ তাঁর প্রতিযোগিতা এবং দেশের মানুষের মধ্যে আকর্ষণ করার সামর্থ্য। এই সম্মান তামিমের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে অনুমান করা হয়।
তিনি ২০০৮ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক করে সাত হাজারের বেশি রান করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে পরিচিত। তামিম বিসিবি সভাপতি হিসেবে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবলুক্ত করেছেন। এমস স র আজ বন সদস যপদ তামিমের বিশ্বস্ত ক্রিকেটার হিসেবে অবদান গ্রহণ করেছে।
২০১০ সালে তামিম লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে এমসিসির ঐতিহ্যবাহী অনার্স বোর্ডে স্থান পান। তাঁর পরবর্তী সালগুলিতে তিনি এমস স র আজ বন সদস যপদ এ দেশের পরিচিত বিসিবি ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় পান। তামিম ইকবাল উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে স্বীকৃতি পেন এবং এ সম্মান তাঁর বিশ্বস্ত অধিনায়কের পরিচয় দেয়।
১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এমসিসি ক্রিকেট আইনের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। এমস স র আজ বন সদস যপদ সংস্থার মতে তামিম ইতিহাসে নিজেকে সাজিয়েছেন বৃহত্তর ক্রিকেট সাংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য। তাঁর ভূমিকাটি এমসিসি প্রতিষ্ঠার অন্যতম মূল উদ্দেশ্য পূরণ করেছে। তামিম ইকবালের পরিচিতি দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অনন্য হিসেবে �
