কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে
কর ণফ ল র প ন র – রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধের স্পিলওয়ে জলকপাটগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির কারণে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে উজান থেকে আসা পানি কর্ণফুলী নদীতে স্থানান্তরিত হচ্ছে যাতে বন্যা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এর উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এই জলকপাটগুলো খুলে দেওয়ার ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হচ্ছে যাতে কাপ্তাই হ্রদের চাপ কমিয়ে আসা হবে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই পরিস্থিতির কারণে বাঁধের জলকপাটগুলো খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে পর্যায়ক্রমে পানি নিষ্কাশন বৃদ্ধি করা হবে।
কর্ণফুলী নদী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
এই ব্যবস্থার ফলে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধির চাপ বাড়তি পানি কাপ্তাই হ্রদে থাকা থেকে তীরবর্তী এলাকা পর্যন্ত পৌঁছানো থেকে রোধ করতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বৃষ্টিপাত কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির কারণ হয়েছে। এর ফলে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেটি বিশেষ করে কাপ্তাই হ্রদে কমানো হয়েছে যাতে সমগ্র এলাকার প্রতি ক্ষতি হয় না।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভূমিকা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন
বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদের পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট চালু রয়েছে যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা কমানোর সাথে সাথে এই কেন্দ্রটি আরও কিছু কর্মক্রম পরিচালনা করছে যাতে জলবিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জলস্রোত বিস্তার করা সম্ভব হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলেছেন, কর্ণফুলীর পানির উচ্চতা স্থিতিশিল হওয়া পর্যন্ত সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে যাতে যে কোন অপরিকল্পিত ঘটনা সম্পর্কে সতর্কতা রাখা সম্ভব হয়।
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্ণফুলীর পানির উ
