চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চরমপন থ ব উগ রব দক ক - বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের গণতান্ত্রিক
চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
Todaybangladeshnews.com – চরমপন থ ব উগ রব দক ক – বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে ঘোষণা করেন যে কোন ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে সরকার কোন ভাবেই প্রশ্রয় দেবে না। তিনি আশা করেন এই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং সংসদে কোন কোন বিষয়ে দ্বিমত হলেও অনেক বিষয়ে একমত হয়েছে সরকারি দল ও বিরোধী দল।
সংসদের অধিবেশন সমাপ্ত হয়েছে
১৫ জুলাই বুধবার বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দেশে আর কোন ভাবেই ফ্যাসিবাদ ও তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে না। তিনি অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এই অধিবেশনটি ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে আজ শেষ হয়েছে। মোট ২৬টি কার্যদিবস ছিল এবং ৩০ জুনে বাজেট পাস হয়েছিল। এই অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়েছে।
দুর্নীতি দমন ও কর্মসংস্থান
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে দেশে আর্থিক দুর্বলতা রয়েছে এবং এ সময় সবার সহযোগিতা চেয়ে সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্রয় দিবে। তিনি জানান যে দুর্নীতি মাধ্যমে প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছিল। সেই দুর্নীতি হাত বেঁধে বা টুঁটি চেপে ধরে নিয়ন্ত্রণ করা হবে বর্তমান সরকার দ্বারা।
সংসদের সমন্বয় ও জাতীয় ঐক্য
তারেক রহমান বলেন, সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য ২৭৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে, যার মধ্যে ৩৫টি প্রশ্নের উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের রীতি অনুযায়ী বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সব দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
‘ফ্যাসিবাদের আমলে আমরা শুধু উন্নয়নের গল্প শুনেছি, কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় সফরে গিয়ে সেই উন্নয়নের গল্প ও বাস্তবতার মধ্যে কোন মিল পাইনি। স্বৈরাচার ও তার কাছের লোকগুলো নিজেদের পকেট ভারী করার জন্য বিদ্যুৎ খাতকে বেছে নিয়েছিল।’
সরকার ইতোমধ্যে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় সেবা পাবেন। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।
তারেক রহমান বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব কাজ করা হবে। যেকোনো মূল্যে হোক, দ
