চিকিৎসাসেবার সংকট: ঢালাও বিষোদ্গার বনাম নির্মম বাস্তবতা
চ ক ৎস স ব র স – গত কয়েক দিনে চিকিৎসক সমাজে গুরুতর প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের একটি মন্তব্যের কারণে। তার বাণিজ্যিক ও সামাজিক বৈষম্যের কথা বলার সাথে সাথে চিকিৎসকদের পেশার শ্রদ্ধা বিস্তার হয়েছে। কিছু চিকিৎসক বলেন, তাদের নেতিবাচক শব্দে মানুষের দৃষ্টিতে কী আকার নেয় সেটা তারা অনুভব করেছেন।
একজন স্বাস্থ্য বিষয়ক সাংবাদিক হিসেবে আমি অনেক জায়গায় যাতায়াত করেছি—হাসপাতালের করিডোর থেকে শুরু করে জরুরি বিভাগ পর্যন্ত। সেখানে দেখেছি বেশিরভাগ রোগীদের শরীরে রক্তের ফোঁটা পড়লে তাদের স্বজন হাহাকার করে। এই সময় কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা নিজের রক্ত দিয়ে জীবন রক্ষা করে। তারা গভীর রাতে পকেটে রাখা খাবারের টাকার সাহায্যে দরিদ্র রোগীদের ওষুধ কিনে দেন। এটা অপরিসংখ্য নয়, আমাদের হাসপাতালের দৈনিক সত্য রূপে দেখা যায়।
ব্যক্তিগত চেম্বারে অনেক চিকিৎসক বলেন, “আপনার আর্থিক সমস্যা থাকলে আমাকে বলুন” লেখা থাকে। রোগীদের মলিন পোশাক দেখে ভিজিট অর্ধেক করে দেওয়া বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কমিশনের টাকা নোট করা হয়। এগুলো আমাদের চোখে দেখা যায়।
প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে লোডশেডিং হলে ওটিতে মোমবাতি জ্বালানো বা মোবাইল ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হয়। তার সাথে পরিচালকের রুমে জেনারেটরের সাহায্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ হয়। কেন্দ্রীয় পরিস্থিতি বৈষম্য এবং কিছু চিকিৎসকের অতিবেশন তৈরি করে অনেক দুর্দশা কারণে চিকিৎসকদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
প্রাথমিক শিশু বিষয়ক ঘটনা স্মরণ করা যায় এলিফ্যান্ট রোডে একটি পথশিশুর পায়ে গাড়ি চলে যাওয়ায়। আমি এবং আমার বন্ধু তাকে নিয়ে কাছের প্রাইভেট ক্লিনিকে গেলাম। কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন, “আপনারা কী হয়েছে?” আমি উত্তর দিলাম, “এই শিশুটি দেশের সমান অংশীদার।” ডাক্তার সাহেব শিশুটির পায়ে ব্যান্ডেজ দিলেন এবং টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানালেন। “আপনারা একটি পথশিশুকে কোলে করে হাসপাতালে আনতে পেরেছেন, কিন্তু আমি ডাক্তার হয়ে তাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে পারব না?”
অনেক চিকিৎসক তহবিল গঠনে অবদান রেখেছেন দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তার জন্য। কিন্তু তাদের পক্ষে অনেক সময় সামাজিক মূল্যায়নে অসুবিধা হয়। কেউ কেউ এতটুকু বেশি বাণিজ্যিক হয়ে পড়েন যে মানবিকতা শব্দটি তাদের অভিধান থেকে হারে। রোগীদের মনে হয় ডাক্তার সাহেব তার চেম্বারে লিখেছেন, প্রথম দিনের ভিজিট, দ্বিতীয় দিনের ভিজিট, তৃতীয় দিনের ভিজিট ইত্যাদি।
পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মানসিক অবস্থা বোঝার জন্য হাসপাতালগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক কাউন্সেলিং ব
