বাংলাদেশ সরকার চীন থেকে যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করছে
চ ন থ ক য দ ধব – চীন থেকে আধুনিক জে-১০সিই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী কয়েক মাসে এ বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে সূত্রের তথ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষ প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে গত সপ্তাহে। বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে চুক্তি চূড়ান্ত করবেন বলে জানা গেছে। আলোচনার গতি বাড়াতে প্রতিরক্ষা সম্পর্কে আলোচনা চলছে।
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিস্তার লক্ষ্যে
সরকারি সূত্রে আশা করা হচ্ছে, সফরকালে প্রায় ১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। যেখানে তিস্তা নদী ব্যারাজ প্রকল্পের সম্পর্কে আলোচনা হতে পারে। মংলা সমুদ্রবন্দর আধুনিকীকরণ প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।
সরকার দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য মংলায় ১১০ একর একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল চীনা বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র বলছে, আগে এই জমি ভারতের বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ছিল। তবে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে এবং জমি এখন চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তুত।
চট্টগ্রামে পৃথক চীনা শিল্প পার্ক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আশা করা হচ্ছে। সরকারের মূল অগ্রাধিকার হলো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। চীন থেকে বড় উৎপাদন শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক ভারতের নজরদারিতে আঞ্চলিকভাবে দ্রুত সম্প্রসারিত হবে। বাংলাদেশ-ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত, বাণিজ্য ও অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থার কারণে দুই দেশের সম্পর্ক গভীর। সাম্প্রতিক সীমান্ত পরিস্থিতি এবং কি�
