ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ধাড়ী বাবুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ছ ত রল গ কর ম ক – বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মিছিলে অংশ গ্রহণ করায় ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ধাড়ী বাবু সাদেকপুর এলাকায় হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় তার গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় অভিযোগ বাড়ছে এবং এলাকায় আতঙক্য বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে হামলার ঘটনা দেখা দিয়েছে এবং এই ঘটনার আগে থেকে নিরাপত্তার প্রতি আশংকা ছিল।
মিছিলে বিক্ষিপ্ত হামলার প্রকৃতি
গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে অনুষ্ঠিত মিছিলে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা করা হয়। এ মিছিলে ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ধাড়ী বাবু সাদেকপুর এলাকার চুনারচরের আখতার পোদ্দারের দোকানের পাশে বিক্ষিপ্ত হামলার শিকারি হন। সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের দ্বারা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দেওয়া হয়। হামলার ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতির কারণে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশের অভিযান ও গ্রেপ্তার ঘটনা
ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ধাড়ী বাবুর মৃত্যুর পর স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে ঘটনার তদন্বন করতে আহ্বান জানায়। পুলিশ সংঘবদ্ধ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের তিনজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে সাধারণত সামাজিক প্রতিবাদ ও আঘাতের সম্ভাবনা ছিল। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার ঘটনার পর স্থানীয় আবেগ শুরু হয়। আওয়ামী লীগ কর্মীদের নেতৃত্ব দিয়ে মিছিলে অংশ গ্রহণ করার পর ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ধাড়ী বাবু একাকী হামলার শিকারি হন। হামলার প্রকৃতি সামাজিক আতঙ্কে পরিণত হয়। ঘটনার স্থানে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের হামলার ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে এবং সেগুলোর মধ্যে আহত ছাত্রলীগ কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
“মাহাবুব ধাড়ী বাবু ছাত্রলীগ কর্মীদের সামনে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণের জন্য বিশেষ রূপে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন। সাদেকপুর এলাকায় হামলার সময় তাকে বিক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়। আমরা কেবল তার মৃত্যু ঘটার কারণ খুঁজছি,” বলেন একজন স্থানীয় সূত্রে কথিত হামলার সাক্ষী।
এই অভিযোগ বিশ্লেষণের জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে বিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘটনার পর ছাত্রলীগ কর্মীদের প্রতি প্রতিবেশীদের প্রতি আক্রমণাত্মক ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ম
