জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার উদ্দেশ্যে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা
জনস ব স থ য স রক – জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিজ কার্যালয়কে তামাকমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ ঘোষণা নিষ্পত্তি করা হয় জাতীয় নির্দেশিকার মাধ্যমে এবং কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে করা হয়েছে।
১৭ জুন বুধবার এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মিটিং রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা ঘোষণা করেন মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া। তিনি জানান যে এ অফিসে এখন থেকে সম্পূর্ণ ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসরণ করে এ কর্মসূচি প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে কর্মকর্তাদের এবং আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে।
তামাক ব্যবহারের পরিস্থিতি ও অর্থনীতিতে ক্ষতি
গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭) অনুযায়ী বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭৮ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। টোবাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী প্রতি বছর তামাকজাত রোগে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে এবং আরো কয়েক লক্ষ বিকল্প হারায়। এ বছরের তথ্য অনুযায়ী তামাক খাত থেকে রাজস্ব আয় হয়েছিল প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা কিন্তু তামাকজাত কারণে মৃত্যু এবং স্বাস্থ্য ক্ষতি ছিলো ৮৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ক্ষতি রাজস্বের দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।
বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোবাকো কন্ট্রোল (FCTC)-এ স্বাক্ষর করেছে ২০০৩ সালে। সেই ধারাবাহিকতার ফলে তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে নির্ধারিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে। যেমন পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাবলিক প্লেস এবং পাবলিক প
