Uncategorized

নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা!

নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা! ন তন ক ইভট জ য় র - ন তন ক ইভট জ য় র কে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে নানার কুপিত হত্যা ঘটেছে, যা ঝিকরগাছা

Desk Uncategorized
Published June 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা!

ন তন ক ইভট জ য় র – ন তন ক ইভট জ য় র কে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে নানার কুপিত হত্যা ঘটেছে, যা ঝিকরগাছা উপজেলার একটি চরম ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। ঘটনার প্রতিবাদে নানাকে হত্যা করার ঘটনায় যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় আতঙ্ক ছড়ায়। সোমবার (৮ জুন) রাতে প্রায় ৯টার দিকে রোহিতা ইউনিয়নের শরমপুর গ্রামে এই বিপর্যস্ত ঘটনা ঘটে, যেখানে ইমামুল হোসেন (৫০) নামে এক রাজমিস্ত্রি নানার কুপিত হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ইমামুল হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসতপুর গ্রামে মৃত রহিম সরদারের ছেলে ছিলেন। ঘটনার পর তার পরিবার অপরাধের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে আক্রমণ করেছে।

ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে নাতনির জীবন হারিয়েছে

গত বৃহস্পতিবার ইমামুল হোসেনের নাতনি কে ইভটিজিং করে অপরাধীদের সামনে তোলে পরিবারের বিরোধিতা। রবিউল, হোসাইন, রাকিব, মেহেদী এবং রাব্বি সহ অনেকে নাতনির জন্য প্রতিবাদ করেন। বিচার চাওয়ার জন্য তারা ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি সিরাজুল ইসলামের কাছে অভিযোগ জানায়। কিন্তু ঘটনার পর সোমবার রাতে ইমামুল হোসেন এবং অভিযুক্তদের মধ্যে বিরোধ জন্মে যায়। নাতনির প্রতিবাদে নানার কুপিত হত্যা ঘটে, যা স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাহুল দেব ঘোষ জানান, আমরা তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত অবস্থায় পেয়েছি। সেখানে তার মৃত্যু ঘটেছে এবং তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রতিবাদের কারণে কে ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়েছিল।

নানার হত্যার ঘটনার পর নিহতের পরিবার বিএনপি সভাপতির সামনে নাতনির বিরুদ্ধে আরো আক্রমণ করেছে। বলা হয় যে, এই ঘটনার কারণে নাতনির মৃত্যুর কারণ ছিল ইভটিজিং এবং পরিবারের কুপিত হত্যা। নিহত ইমামুল হোসেন এই ঘটনার পর কুপিত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। পরিবারের সদস্যদের অপরাধে জড়িত করার কারণে এটি একটি মহিলাদের প্রতি কুপিত হত্যার মামলা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ঘটনাটি তাদের পরিবার এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে ভীষণ বিতাড়িতা সৃষ্টি করে।

সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক প্রতিবাদ

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় এই ঘটনার পর সামাজিক উত্তেজনার মুখে পড়েন নানার পরিবার। নাতনির প্রতিবাদে নানাকে হত্যার ঘটনার জন্য অনেকে ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে উত্থাপন করেন। স্থানীয় সম্প্রদায় এই ঘটনার প্রতি নিষ্ঠার সাথে বিচার চাওয়ার আবেদন জানায়। নিহত ইমামুল হোসেনের মৃত্যু পরিবারের প্রতি আঘাত করে এবং তাদের সাথে সামাজিক আঁখি ফেলে দেয়। এটি মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রতি সম্প্রদায়ের ধারণা পরিবর্তন করে এবং ইভটিজিং প্রতিবাদ আরও বিস্তার লাভ করে।

নাতনির হত্যার ঘটনার পর সেই ঘটনার চারপাশে প্রচার শুরু হয়। এই ঘটনার কারণে

Leave a Comment