বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের বিষয়াবলী
ব ক ল ব জ ট পরবর – বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিকেলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিবেন। সংবাদ সম্মেলনটি শুক্রবার, ১২ জুন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে বাজেট প্রস্তাবনার সম্পূর্ণ বিষয়াবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। অর্থমন্ত্রী এই সম্মেলনে বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করবেন এবং বাজেট গ্রহণের মাধ্যমে সরকার কী ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চাচ্ছে তা বিস্তারিত আলোচনা করবেন। এছাড়া বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেবেন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিশেষজ্ঞরা এবং সাধারণ মানুষের সামনে।
বাজেটের আকার ও গুরুত্ব
গতকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাজেট গ্রহণের উদ্দেশ্য হলো মূল্যস্ফীতির চাপ কমিয়ে জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করা, ব্যবসা ও বিনিয়োগে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা, সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া এবং অর্থনীতিকে উৎপাদনমুখী ও বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করা। এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো উন্নয়নের সুফল সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান যে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকার বিভিন্ন খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নিরাপদ হতে পারে। বাজেট প্রস্তাবে উৎপাদন বৃদ্ধি ও ব্যবসায়ী উদ্যোগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকার নতুন আয়োজন গ্রহণ করেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট দ্বারা সামাজিক মানুষের জীবন মান উন্নয়ন করা হবে এবং আরও উন্নত অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।
“বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ট্রিলিয়ন �
