Uncategorized

বিশ্বকাপের বিলিয়ন ডলারের জার্সি বাণিজ্যে কেন নেই বাংলাদেশ?

FIFA-2026-Jurssy

বিশ্বকাপের বিলিয়ন ডলারের জার্সি বাণিজ্যে কেন নেই বাংলাদেশ?

Todaybangladeshnews.com – ব শ বক প র ব ল – ধরুন কল্পনা করুন, আর্জেন্টিনার মেসি মাঠে খেলছেন। গায়ে তাঁর পরিচিত আকাশনীল-সাদা ডোরা জার্সি নিয়ে সেই চূড়ান্ত ক্ষমতা দেখাচ্ছে। বুকের বাম পাশে বিশ্বকাপ জয়ের তিনটি তারা রয়েছে, যেগুলি এক একটি বিশ্বের ঐতিহ্য জাগাচ্ছে। তারা মূলত ১৯৭৮-১৯৮৬-২০২২ সালের জয়ের স্মৃতি। স্টেডিয়ামের লাখো দর্শক সেই জার্সি দেখে এক একবার গর্জে উঠছে। আর যারা মাঠে খেলা দেখছে না, এমন বিশ্বের পাঁচ বিলিয়ন দর্শক টেলিভিশন বা মোবাইল স্ক্রিনে তার গুণ দেখছে।

বিশ্বকাপে অ্যাডিডাস আর্জেন্টিনার এই বারের জার্সির বিশেষ নকশা বানিয়েছে। নীল রঙের বিভিন্ন শেড দিয়ে একে একে বিভিন্ন সময়ের প্রতীকী চিহ্ন আঁকা হয়েছে। ১৯৭৮ সালে সেই স্টেডিয়ামে শিরোপা পেয়ার প্রথম ধাপ, ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার বিস্ময় ছিল, আর ২০২২ সালে অনুপম দীর্ঘ ছত্রিশ বছরের অপেক্ষার অবসান।

বাইরে থেকে বাংলাদেশ

ফ্রান্সের নাইকি জার্সি পরিচিত একটি ইতিহাস বহন করছে। কানাডার জার্সি ম্যাপল পাতা থেকে অনুপ্রাণিত। কিন্তু ব্রাজিলের জন্য কোন রঙ বা নকশা নিয়ে চিরচেনা হলুদ-সবুজের প্রতি প্রতিষ্ঠানের হাতে ভয় ছিল। বিশ্বকাপে প্রতিটি জার্সি চূড়ান্ত করতে কোম্পানি কোটি কোটি টাকা খরচ করে। কোন রঙ দেশপ্রেম জাগাবে, কোন নকশা ইতিহাস স্মরণ করাবে, কোন প্রতীক ভক্তদের আবেগ ছুঁয়ে যাবে- এগুলি তুলে ধরার প্রয়োজন ছিল। কারণ একটি সফল জার্সি শুধু মাঠে খেলার জন্য নয়। এটি কেবল পোশাক নয়, সেটি নিজের পরিচয়ের অংশ।

এই বাজারকে নতুন করে বড় করে দেয় প্রতিটি বিশ্বকাপ।

২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ৪৮টি দেশ মাঠে নামছে। এই সব দলের জার্সি তৈরি করছে ১৩টি বিভিন্ন ব্র্যান্ড। সংখ্যাটি অনেক কম হলেও বাস্তবে সেটি অন্যরকম। কারণ এই ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩টি দ্বারা বিশ্বকাপের মাঠে জার্সির বৃহত্তর অংশ নেওয়া হচ্ছে। অ্যাডিডাস, নাইকি এবং পুমা কোম্পানি গল্পটা বোঝা অসম্পূর্ণ থাকবে।

বিশ্বকাপের মাঠে সেই লড়াই এখনো চলছে। সেই লড়াই শুধু দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিবাদ নয়। বহু বিলিয়ন ডলারের বাজারের কর্তৃত্বের ক্ষমতার সংগ্রাম। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক ফুটবল জার্সি বাজারের পরিমাণ প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন ডলার। বিশ্লেষকদের মতে ২০৩৫ সালে এই বাজার হতে পারে ১৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

৩৭টি দেশের জার্সি ছাড়া বাকি ১১টি দেশের গল্পটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। কেলমে নামের স্প্যা�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *