ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অন্য কোচদের নীরবতায় কড়া সমালোচনা ইরান কোচের
ভ রমণ ন ষ ধ জ ঞ – বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে মাঠের বাইরে ঘটনার আলোচনা অধিকতর উল্লেখযোগ্য। এই সমস্যা তৈরি হয়েছে ইরান দলের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে, যা অন্য কোচদের বিশেষ করে সমর্থন ছাড়া মানসিক বিরক্তি জাগিয়েছে। অন্য কোচরা এই বিষয়ে বিশেষ করে কোনও প্রকাশ্য মন্তব্য করেনি বলে ঘালেনোই অভিযোগ তুলেছেন।
প্রতিবেশী দলগুলো অনুশীলনের জন্য বিশেষ করে সময় ব্যবস্থাপনা করছে বলে কোচটি মনে করেন। কিন্তু তিনি দাবি করেন যে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবাই নীরব থাকাটা দুঃখজনক। তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারছি অন্য কোচরা তাদের দলের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত, কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবার নীরব থাকাটা কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট অবহেলা বুঝায়।”
ইরান দল বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে তাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। তারা আগে থেকেই ম্যাচের অন্তত দুই দিন আগে ভ্রমণ ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল, কিন্তু এটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। এই পরিস্থিতি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলির সুযোগের অসমানতা বা ফেয়ার প্লে নীতির পরিপন্থী হয়েছে বলে ইরানি ফুটবল ফেডারেশন আপত্তি জানাচ্ছে।
আয়োজন করা হয়েছে মেক্সিকোতে তবে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে দলের প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানি কোচ প্রশ্ন তুলেছেন যে সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে গ্রুপ ‘জি’-এর শেষ ম্যাচের জন্য তাদের ভ্রমণ ব্যবস্থা নমনীয়তা দেওয়া হলেও প্রথম দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোগ করা হয়নি।
“আমি বুঝতে পারছি অন্য কোচরা তাদের নিজেদের দলের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবার নীরব থাকাটা দুঃখজনক।”
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঘালেনোই দাবি করেন যে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোচদের দৃষ্টিকোণ বিভিন্ন হয়েছে এবং খেলোয়াড়দের মানসিক চাপ তৈরি করেছে।
