প্রবীণ সাংবাদিক শাহেদ কামাল ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন
ম র গ ছ ন প রব খুলে দেওয়া হয়েছে প্রবীণ সাংবাদিক শাহেদ কামালের মৃত্যু ঘোষণা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তার আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় শনিবার (৪ জুলাই)। এই খবর জানানো হয়েছে তার মৃত্যুর পর তার স্থায়ী শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে।
মরদেহ রাখার ব্যবস্থা ও শোক প্রকাশ
শাহেদ কামালের মৃত্যুর পর তার মরদেহ ধানমণ্ডির সাঁঝের মায়াতে রাখা হবে। আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) জোহরের নামাজ শেষে তাকওয়া মসজিদে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাঙ্গণে তার শোক প্রকাশ করা হবে।
বিকেল চারটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মরদেহ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে শোক প্রকাশ করতে পারেন সাংবাদিকদের সম্প্রদায়। সন্ধ্যায় আজিমপুর কবরস্থানে তার মায়ের কবরে (প্রয়াত কবি সুফিয়া কামাল) শাহেদ কামাল সমাহিত হবেন। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রাথমিক দিনগুলোতে বিশেষ ভাবে শোক ব্যক্ত করার জন্য।
জীবন ও কর্মজীবন
শাহেদ কামাল সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা এর প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে সেবা করেন এবং কর্মত্যাগ করেন ১৯৮৫ সালে। তার সাংবাদিক জীবনের অগ্রগামী সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ছিল। তিনি সেখানে ১৯৭৬ থেকে স্থায়ী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তার সাংবাদিক কর্মজীবনের মূল্যবান অবদানের কারণে তিনি এক মাস বয়সে ম র গ ছ ন প রব হন। তিনি একজন প্রভাবশালী প্রতিনিধিত্ব করতেন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এবং সর্বদা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে নিবেদিত ছিলেন। তার মৃত্যু ঘটার পর তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানা যাচ্ছে যে তিনি কবি সুফিয়া কামালের পুত্র ছিলেন।
শাহেদ কামালের প্রভাব ও অনুপ্রাণিত করা জনপ্রিয়তা
বাংলাদেশে তার নাম শাহেদ কামাল সাংবাদিকতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। তিনি বিশেষ করে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিনিধিত্ব করেন যার ফলে তার অনুপ্রাণিত করা জনপ্রিয়তা অপরিসীম হয়েছে। তার আখ্যান ছিল ম র গ ছ ন প রব দিবসে সাংবাদিক ব্যবস্থা করার সময়।
তার সাংবাদিক জীবন বিশেষ করে ম র গ ছ ন প রব এর মাধ্যমে সমাজের সংবাদ গ্রহণ করতে সাহায্য করেছে। তিনি সরাসরি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংস্কৃতি বিষয়ক আলোচনা বিশেষ করে সামাজিক বিষয়ে অগ্রগামী ছিলেন। তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়েছে এবং তার সম্পর্কে বিশেষ শোক প্রকাশ করা হয়েছে তার বিশেষ অবদানের জন্য।
তার মৃত্যুর খবর �
