মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইন-কুয়েতে ইরানের হামলা
ম র ক ন হ মল র – মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পরিচালনার জবাবে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। বিবৃতিতে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি ও কুয়েতের আলী আল সালেম এবং আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করার জন্য এখনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আল জাজিরা সংবাদমাধ্যম ঘোষণা করেছে যে আইআরজিসি হরমুজ প্রণালি অবৈধভাবে অতিক্রমের চেষ্টা করতে থাকার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্র উত্তেজনার কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ঘটনার পর কারগান শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেখানে অন্তত দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে তাদের নির্দেশে ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ওয়াশিংটন দাবি করেছে যে এই অভিযান ইরানের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
“ইরানের সঙ্গে চুক্তি অর্জনের বিষয়ে আমরা অগ্রগতির কাছাকাছি অবস্থানে ছিলাম। তবে ইরান আলোচনায় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ করে দ্রুত সমঝোতায় না এলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।”
গত সোমবার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এ পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে নিজেদের প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্বে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে ইরান চুক্তি প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছে এবং কোনো সমঝোতা না হলে কঠোর কার্যক্রম নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তার পর থেকে একের পর এক হামলার ঘটনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যেমন কারগান শহরে প্রতিশোধ হামলা করা হয়েছে
