আর্জেন্টিনার মেসি ছাড়া সম্পূর্ণ অন্য রূপে খেলা চলছে
ম স শ ধ এক নন আর – প্রাচীন কথাগুলো আবার স্মরণ করিয়ে দিলে মেসি ছাড়া আর্জেন্টিনা তাঁর চোখে কম সবল হয়ে উঠেছে। কিছু সময় আগে ব্রাজিল বা জার্মানির সমর্থকেরা বলতেন, লিওনেল মেসি নেই আর্জেন্টিনা প্রায় অচল। এবার চোখ ফেরাল এবং সামনে আরও বেশি বিকল্প আছে।
২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে মেসি ছিলেন না, কিন্তু দল অনেক কম বিপদে পড়েনি। কোপার শেষ দিনে লাউতারো মার্তিনেজ ছাড়া অন্য কেউ তাঁর জায়গা দখল করেছিল। ম্যাচ চাপে তার বেশ কয়েকটি গোল করা হয়েছিল এবং তাই সেদিন বিজয়ের খুব কম দুর্বল লোক ছিল।
মেসির পাশে শক্তিশালী সহযোগীরা
মেসির গোলদাতার ভূমিকা বড় হয়েছে কিন্তু তাঁর বিকল্প চাই বলে ভাবছেন কেউ না। ইতিহাসে আর্জেন্টিনা তাঁর পরিবর্তে অন্য কারও গোল করতে পারে। সেই ম্যাচে আরও অনেক খেলোয়াড় প্রাচীন কথা বলতেন।
যেদিন তাঁর পা থেমে যায়, সেদিন জ্বলে ওঠার লোকের অভাব এই দলে কখনো ছিল না।
ইন্টার মিলানে আর্জেন্টিনার প্রধান গোলদাতারা মেসি ছাড়া এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। সিরি আ’তে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন জুলিয়ান আলভারেজ। তিনি মাঝমাঠে আক্রমণের সামনে গোল করতে সক্ষম।
নিকোলাস গনসালেস দলের একজন আরও স্বাধীন খেলোয়াড়। তিনি উইং ও আক্রমণ দুই জায়গাতেই অনেক বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারেন। আর্জেন্টিনার মাঝমাঠ তাঁর জন্য আগে কাজ করত। বাঁকানো গোলের বিষয়টি কম তার কাজ নয়, অনেক বেশি শক্তিশালী।
স্কোরশিটে তাঁর নাম কম আসছে কিন্তু এই ক্ষমতাটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মাঝমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে দুই ম্যাচে এই দল সব সময় প্রয়োজনে অনেক কাজ করেছেন। মেক্সিকো ও পোল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর গোল করা হয়েছে। এই দুই ম্যাচে মাঝমাঠ দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।
আর্জেন্টিনার রক্ষণে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ আছেন। তিনি সেরা গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত। নেদারল্যান্ডসে ও ফ্রান্সে টাইব্রেকারে জয় তাঁর কাছে হাতে পড়েছিল। পেনাল্টি শুটআউটে তাঁর ঠান্ডা মাথা আর প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে চাপ দিতে ক্ষমতা রয়েছে।
মাঝমাঠে অনেক দুর্বল কাজ করছেন রদ্রিগো দে পল। তাঁর অক্লান্ত দৌড়টি দলের ভারসাম্য চাবিকাঠি। ২০২২ বিশ্বকাপে তিনি মাঝমাঠ থেকে একটি গোল করেছেন যা গোটা দলকে মুক্তি দিয়েছিল।
আর্জেন্টিনার বিশাল শক্তি হল তাঁদের মাঝমাঠ। ক্লাব আর দেশে সমান উপলব্ধি রয়েছে। তাঁদের সব কিছু একজনের কাছে সীমিত হয়ে থাকে।
