রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
র জধ ন সহ ১১ অঞ চল – আবহাওয়া অধিদপ্তর শনিবার (১৩ জুন) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা ঘোষণা করেছে। রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম সহ মোট ১১টি অঞ্চলে আবহাওয়া অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি ঘটবে বলে আশঙ্কা জনায়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলে দমকা হাওয়া সহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বৃষ্টির গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিছু এলাকায়, যেখানে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইে বৃষ্টি আসতে পারে। রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে এই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জনপ্রিয় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা ও রেল পরিবহন ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। গতকাল রাতে প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে এই সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। যদিও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এই বৃষ্টির জন্য সতর্কতা জারি করেছে যাতে মোটামুটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো চুক্তি করতে পারে। রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে এই আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিক্রিয়া ও বিপর্যয়ের আশঙ্কা
বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশিরভাগ এলাকায়। রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে এই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে পুকুর, খাল, বন্দর ও সড়কপথে জল জমা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নদীবন্দরগুলোতে একটি সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে যাতে আপত্তি সৃষ্টি হয় না। এই আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বিপর্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুমান করেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি ঘটলে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার বিপর্যয় ঘটবে কিংবা বিদ্যুৎ বিস্তার কমে আসতে পারে।
রাজধানী সহ ১১টি অঞ্চলে অপরিচিত হাওয়া ও বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটা স্থায়ী হতে পারে। কিছু অঞ্চলে দমকা হাওয়ার �
