Uncategorized

শিশু রামিসা হত্যা: ৭২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় ও ডেথ রেফারেন্স উচ্চ আদালতে

শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচারের প্রক্রিয়া শ শ র ম স হত য - ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আদালত শিশু রামিসা আক্তারের

Desk Uncategorized
Published June 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচারের প্রক্রিয়া

শ শ র ম স হত য – ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আদালত শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স সহ ৭২ পৃষ্ঠার নথি উচ্চ আদালতে প্রেরণ করেছেন। এ ঘটনার বিচার মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে ঘটেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আশা করছি আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেপার বুক তৈরি হবে।” তিনি আরও জানান, মামলাটি আগামী রোববার হাইকোর্টের নির্ধারিত বেঞ্চে শুনানি হবে।

এ মামলার পূর্বে গত রোববার (৭ জুন) আদালত রায় ঘোষণা করেছিল। প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করা হয়। আসামি দুই জনকে কনডেম সেলে প্রস্তুত করা হয়। এছাড়া সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রামিসার পরিবারের প্রদানের আদেশ দেন।

ঘটনার বিবরণ

মামলার অভিযোগ প্রতিবেদনে জানা গেছে, রামিসা আক্তার (৮ বছর বয়স) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ঘর থেকে বের হন। এক্ষেত্রে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। ওই দিন সাড়ে ১০টার দিকে তার জুতা বাইরে রয়েছিল এমন দেখা যায়। ডাকাডাকির পর কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারা শয়নকক্ষে মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমে বড় বালতির মধ্যে রামিসার দেহ দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তার জানান, “আমার স্বামী মো. সোহেল রানা (৩০) রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।”

এ ঘটনায় ১৯ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুই অভিযুক্তকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে ন

Leave a Comment