সশস্ত্র বাহিনীকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সশস ত র ব হ ন ক – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী শান্তিরক্ষী দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি এ আহ্বানে বাহিনীর অপরাজেয়ত্ব ও সামরিক ঐক্যের গুরুত্ব উল্লেখ করেন, যেহেতু বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী দেশের সকল ক্ষেত্রে একটি সংকট ও সুযোগ নির্ধারণ করে রয়েছে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর কাজের ক্ষেত্রে এমন পরিবেশে প্রবেশ করা হচ্ছে যেখানে দুর্নীতি ও অপবাদ আঁকড়ে ধারণ করে, সেখানে সদস্যরা নিজেদের পেশাদারিত্ব ও কমান্ড চেইনের মাধ্যমে গুরুত্ব বজায় রাখতে হবে।
শান্তিরক্ষী দিবসের সময়ে আহ্বান
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সম্মান জানানো হয়েছে এবং তাদের সামরিক ভাবমূর্তি রক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী এই দিবসে নিজেদের দেশপ্রেম ও বিশ্বাসঘূণ্যতার কারণে ক্ষীণ হয়েছে। সেই সমস্যার মুখোমুখি হয়ে তাদের অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করতে হবে যাতে বাহিনী দুনিয়ার জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে পরিচিত থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী সামরিক শান্তি রক্ষার জন্য এখনও সামনে আছে। কিন্তু দেশের সমাজের বিভিন্ন স্তরে নিয়ন্ত্রণ ও কমান্ড চেইন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সদস্যদের স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে যাতে সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের অভিজ্ঞতা ও স্বাধীনতা দিয়ে জাতির ভাবমূর্তি বজায় রাখতে পারে।”
সশস্ত্র বাহিনীর একতা বজায় রাখার জন্য নানান চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে। বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী দেশের শান্তি ও সুযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ ও সংকট অনুভূত হচ্ছে যেখানে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা বিশ্বজুড়ে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি বলেন, এ সময়ে সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের কাজে ভালো সাজানো হবে যাতে সমাজের সব স্তরে বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠা রয়ে থাকে।
সশস্ত্র বাহিনীর চ্যালেঞ্জ ও প্রতিক্রিয়া
সশস্ত্র বাহিনী এই দিবসে নিজেদের স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন যেহেতু সামরিক বাহিনী দেশের প্রতি এখন সমান্তরাল দিকে বিশ্বাস ও সন্দেহ উভয় পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর কাজে বিদেশী আক্রমণ ও অন্তর্জাতিক মিডিয়া সংকট বাড়ছে। তাই সদস্যদের স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সশস্ত্র বাহিনী এখন সামরিক সংগঠন ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন বিশেষ ভাবে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কমান্ড চেইন বজায় রাখা কঠিন হয়ে আসছে। সেই কারণে সশস্ত্র বাহিনী দেশের সমস্ত মানুষের কাছে সুস্পষ্ট ভাবে গুরুত্ব প্রমাণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সশস্ত্র বাহিনীকে সব দিক থেকে আরও উন্নত করতে প্রাণপ্রাণ করেছে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বা�
