Uncategorized

সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক

সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক স ত বছর র ব কপ রত - সাত বছর বয়সী একটি বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠার ফলে

Desk Uncategorized
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক

স ত বছর র ব কপ রত – সাত বছর বয়সী একটি বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠার ফলে কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের মসজিদে ইমাম হাফেজ মাহবুব ওরফে মাহবুল্লাহ (২৩) কে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি রোববার (২৪ মে) দুপুরে ঘটে এবং তদন্তের জন্য স্থানীয় মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠার পর পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানে উপস্থিত হয়ে ঘটনার পরিবেশ তদন্ত করছেন।

আটক করা হয়েছে মাহবুল্লাহ নামে পরিচিত যুবককে, যিনি আগরপুর বাসস্ট্যান্ডের একটি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি রামদী ইউনিয়নের পশ্চিম তারাকান্দি জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এক মাস আগে। তার পিতা হলেন নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাপুর গ্রামে মৃত শাহেদ আলী আকন্দ। মাহবুল্লাহ এই ঘটনার পর প্রথম করে আটক করা হয়, যখন সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু হুজুরের জন্য খাবার নিয়ে যাওয়ার সময় তার উপর ক্রিয়া করেন।

অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত ও প্রমাণ সংগ্রহ

পুলিশ কর্মকর্তা কাজী আরিফ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন যে, সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটি মসজিদে খাবার নিয়ে যাওয়ার সময় ইমাম তার সাথে সংশ্লিষ্ট হন। সেই ঘটনার পর আটক করা হয় এবং ভুক্তভোগী শিশুকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য। কুলিয়ারচর থানার তদন্ত কমিটি এখনও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে এবং সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকার করছে। আটক করা ইমামের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু কে ধর্ষণ চেষ্টা করার অভিযোগ ঘটনার পর প্রায় সারা এলাকার মানুষের মাঝে ঘুরে ফিরেছে। এই অভিযোগ বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে বলে দাবি উঠেছে। সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু সেই বয়সে মসজিদে এসেছিল যেন তাকে হুজুর খাবার দেয়ার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে। তবে তার বাকপ্রতিবন্ধী অবস্থা এবং সেই সময়ে পরিবেশের কারণে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা সম্ভব।

বিপুল পরিমাণ প্রতিবাদ এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া

পুলিশ ঘটনার পর সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু এবং তার পরিবারের প্রতি খুব ভালো ভাবে দৃষ্টি দিচ্ছে। সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর মাতার বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি মসজিদে এসেছিলেন যেন তার বাবা বাকপ্রতিবন্ধী শিশু স্থান সংক্রান্ত আবেদন দিয়েছিলেন। সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর বিষয়ে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে যা এখনও চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে। সাত বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু ও তার পরিবারের কাছে পুনর্বাসন ও আশ্বস্তকর ব্যবস্থা চাওয়া হয়ে

Leave a Comment