আইসিএফের লক্ষ্য সুশাসন ও নাগরিক রূপান্তরের পথ খুঁজে বেরুচ্ছে
স শ সন ও ন গর ক – বাংলাদেশের জন্য নীতিগত সংস্কার সৃষ্টি করতে হাতে নিয়োগ করা হয়েছে নীতিনির্ভর গবেষণা এবং বাস্তবসম্মত কার্যকরী প্রকল্প নিয়ে ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশন (আইসিএফ)। সংগঠনটি তথ্য-উপাত্ত ও নীতিগত নির্ণয়ের মাধ্যমে সুশাসন ও নাগরিক মানসিকতার উন্নয়ন সাধনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ সংস্থা আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হয়েছে যাত্রা করে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
আইসিএফের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার নওফেল জমির বলেন, দেশের সুশাসন ও সুস্বাস্থ্য আনতে হলে নীতি নির্ধারণকে প্রমাণভিত্তিক হতে হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নত নাগরিক মনোভাবের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সংসদ সদস্য নওশাদ জমির ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম সংগঠনটির সভাপতিত্বে অংশ নিয়েছিলেন।
গণতন্ত্রহীনতার প্রভাব ও স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্ব
স্বাস্থ্য মন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, গণতন্ত্রহীনতার আলোচনা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক আক্রমণের কারণে দেশের সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণের গুণগত পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, দুর্নীতি বাস্তবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের অসম্মান করাকে স্মার্টনেস হিসেবে দেখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন হাসপাতাল ও আইসিইউ বেড বাড়ানোর মধ্যে বোঝানো হয়। কিন্তু সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। এ প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘জাতীয় রূপান্তর শুরু হয় পরিষ্কার চিন্তা, সৎ সমস্যাবিশ্লেষণ এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ থেকে। বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে নীতিনির্ধারণকে আরও প্রমাণভিত্তিক, কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাটে থুতু বা পানের পিক ফেলার মতো নেতিবাচক আচরণ দূর করতে বিচার বা শাস্তির চেয়ে সামাজিক আন্দোলনের কাজ করে উপযুক্ত ফল আনা সম্ভব। ব্যক্তিরা যদি প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করেন, তাহলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং শ্বাসকষ্ট রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা যাবে।
