সৌন্দর্যের লীলাভূমি দুর্গাপুর-কলমাকান্দা
সৌন্দর্যের লীলাভূমি দুর্গাপুর-কলমাকান্দা
স ন দর য র ল ল – বহু দেশ ভ্রমণ করেছি এবং বহু ক্রোশ দূরে বহু ব্যয় করে সেই সৌন্দর্য দেখতে চাই। আবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া। ঘর হতে দুই পা ফেলে একটি ধানের শীষের উপরে একটি শিশির বিন্দু দেখা হয় নাই।
মানুষ মাত্রই সৌন্দর্য পিপাসু। প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণবিলাসী মানুষ অনেক দেশ থেকে দেশান্তরে বিশ্বের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্বেষণ করে বেড়াচ্ছে। তাদের সম্পর্কে জানা হয় নাই যে বিচিত্র প্রকৃতি, অগণিত কীর্তি আমাদের সামনে অপেক্ষা করে। কিন্তু সে সবকিছুর সঙ্গে পরিচিত হওয়া মানুষের সংক্ষিপ্ত জীবনে সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য, সময় এবং অর্থেরও প্রয়োজন।
দুর্গাপুরের দর্শনীয় স্থানগুলো
নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর-কলমাকান্দায় সৌন্দর্যের অন্যতম প্রকাশভঙ্গি রয়েছে। দুর্গাপুরের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে:
- ১. সোমেশ্বরী নদী
- ২. চীনা মাটির পাহাড়
- ৩. বিরিশিরি
- ৪. গারো পাহাড়
- ৫. রানীখংচার্চ
- ৬. ভান্দা ভ্যালি
- ৭. কালচারাল একাডেমি
- ৮. উট পাহাড়
সব মিলিয়ে এক অসাধারণ সৌন্দর্যের লীলা ভূমি রয়েছে দুর্গাপুরে। ছোটবেলায় আমি দুর্গাপুরের শালুয়াকান্দা গ্রামে দাদার বাড়ি গিয়েছি। ১৯৯০ সালে বাড়ি গেলাম এবং ছোটো কাকুর বাসায় দুর্গাপুর গেলাম। সোমেশ্বরী নদী পার হলাম পায়ে হেঁটে। সময়টা ছিল শীতকাল তাই নদীতে পানি ছিল না। ধু ধু বালি আর বালি। কাজিনের নবজাতক নিয়ে বিরিশিরি মিশন হাসপাতালে গেলাম। দুইদিন পর আবার আমরা ফিরে এলাম। আমাদের বাড়ি দুর্গাপুর থেকে তিন/চার কিলো দূর হবে। যাওয়ার পথে একটি বিশাল পুকুরের গল্প শোনালেন চাচীআম্মা।
অনেক অনেক দিন আগের কথা। তখন এক রাজা ছিল যিনি পানির অভাবে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিলেন। রাজার রাজ্যে সেই সময় পানির খুব অভাব ছিল। রাজা বিশাল এক পুকুর খনন করালেন। কিন্তু পুকুরে পানি উঠে না। প্রজারা পানির অভাবে হা হুতাশ করতে লাগল। এমন সময় রাজা স্বপ্নে দেখলেন রাজার রানী কমলা পুকুরে নেমে আরাধনা করলে বা পূজো দিলে পুকুরে পানি উঠবে। রাজা স্বপ্নের কথা রানীকে খুলে বললেন। কমলা রানী অধীর আগ্রহে পুকুরে নামলেন। তখন অতল গভীর থেকে পানি উঠতে লাগল। পুকুর পানিতে ভরে উঠল। প্রজাদের পানির সংকট মিটল কিন্তু কমলা রানী আর ভেসে উঠলেন না। সেই থেকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটির নাম লোক মুখে চলে আসছে কমলা রানীর দীঘি।
অপরদিকে নেত্রকোণার আরেক উপজ
