৪ প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের
Todaybangladeshnews.com – ৪ প রত ষ ঠ ন র – বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গুরুতর মান বিপর্যয়ের কারণে চারটি প্রতিষ্ঠানের আটটি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করার আদেশ জারি করেছে। বিএসটিআই তদন্ন করেছে যে এই পণ্যগুলি বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী অপরিচ্ছন্ন হয়েছে এবং ভোক্তাদের জন্য স্বাস্থ্য হনন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিএসটিআই প্রতিষ্ঠানগুলির পণ্য উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে বাজারে বিপাক তৈরি হয় না। এ পর্যন্ত প্রত্যাহার নির্দেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএসটিআই কি করে পরীক্ষা চালালো?
বিএসটিআই দ্বারা পরীক্ষার প্রক্রিয়া বাংলাদেশের খাদ্য ও ঔষধ সার্টিফিকেশন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যগুলি নির্দিষ্ট ব্যাচ নম্বর অনুযায়ী পরীক্ষিত হয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্য ক্ষতি ঘটানোর সম্ভাবনা ছিল। মান বিপর্যয়ের কারণে প্রত্যাহার নির্দেশ জারি করা হয়েছে যাতে পণ্যগুলি আরও বেশি বিপদ ছড়িয়ে পড়ে না।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কী করেছে?
বিএসটিআই এর নির্দেশে চারটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যগুলি বাজার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই পরীক্ষায় মানবস্বাস্থ্যে ক্ষতিকর অনুজীব বিদ্যমান ছিল এবং প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে। এই পণ্যগুলির মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিএসটিআই প্রত্যাহারের নির্দেশে কেন্দ্রিক হয়েছে।
ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেস কোম্পানি এবং কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ব্যাচ নম্বরের ভিত্তিতে তাদের পণ্য সংকট ঘটিয়েছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ব্যাচ পণ্যগুলি অনুমোদন নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রমের অধীনে বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের মিল্ক স্কিন লোশন ও অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের স্প্রে হাড় স্বাস্থ্য পণ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়মগুলি প্রতিষ্ঠানের মান পরীক্ষা অনুযায়ী অপরিচ্ছন্ন ছিল। মানবস্বাস্থ্যে সমস্যার কারণে এই পণ্যগুলি আরও দীর্ঘদিন বিক্রি হবে না।
এ নির্দেশে বিএসটিআই প্রতিষ্ঠানগুলির পণ্য লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের কোন পণ্য বাজারে স্থান পেতে পারে। পরীক্ষায় প্রমাণ পাওয়া গেছে যে মান বিপর্যয়ের কারণে স্বাস্থ্য হনন ঘটানোর আশঙ্কা ছিল। এটি একটি গুরুতর বিষয় যেহেতু এ পণ্যগুলি বাজারে বিশাল পরিমাণে বিক্রি হচ্ছিল।
বিএসটিআই কর্তৃক প্রত্যাহার নির্দেশ গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানগুলি কী করছে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয

