অনলাইনে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা: ডিবি’র জালে চক্রের ৬ সদস্য
অনল ইন আস স ন ন হ –
এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ (দক্ষিণ) একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণামূলক গোঁড়ামির সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছে। তারা অনলাইনে সহজে ও দ্রুত বিশাল মুনাফা অর্জনের লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাত করেছিল।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিম্নলিখিত ছয় সদস্য:
গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. বাবলু ওরফে সূর্য (২৪ বছর), মো. শাহিন (২১ বছর), মো. তুষার মিয়া (২৫ বছর), মো. আতিকুর রহমান ওরফে নিরব রানা (২০ বছর), মো. লিখন ওরফে ইমন (২২ বছর) এবং মো. শাকিল রানা (৩০ বছর)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, বাড্ডা থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে রুজুকৃত একটি মামলার তদন্তে ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম এই চক্রের সন্ধান পায়। প্রতারকরা ধর্মীয় অনুভূতি ও সরলতার ব্যবহার করে বিখ্যাত ধর্মীয় আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং জনপ্রিয় ইসলামিক প্রতিষ্ঠান ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’-এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ তৈরি করেছিল। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নকল ডোমেইন এবং পেজ তৈরি করে মানুষকে বিশ্বাস করতে ভাবিয়ে দিয়েছিল।
বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) বা বিকাশ, রকেট বা নগদ অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১১টার দিকে আশুলিয়ায় কাবাব প্লাজায় অভিযান চালিয়ে বাবলু ও শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তুষার মিয়া, আতিকুর রহমান ও লিখনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শাকিল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয় বুধবার (১ জুলাই) ভোর সোয়া ৫টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার রাখালিয়া পাড়া থেকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ডিবি পুলিশ সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে যেকোন আর্থিক লেনদেনের আগে প্রতিষ্ঠানের আসল ওয়েবসাইট বা ব্লু ভেরিফাইড পেজ দেখে সত্যতা যাচাই করতে হবে। ধর্মীয় অনুভূতি বা অতি মুনাফার লোভে কোন অজ্ঞাত নম্বরে টা�
