আজ নায়ক হওয়ার দিনটি আমার ছিল: হ্যারি কেন
আজ ন য ক হওয় র দ – অধিনায়ক হ্যারি কেন দুটি গোল করে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের ষোলোয় নিয়ে যান ডিআর কঙ্গো বিপক্ষে। বিপক্ষের প্রথম গোল করে ইংল্যান্ড পিছিয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপরাজয়ের আশঙ্কা জাগে।
বিপজ্জনক প্রতিরোধ কাটিয়ে ফিরে আসেন কেন
বায়ার্ন মিউনিখের তারকা অধিনায়ক হ্যারি কেন শেষ দশ মিনিটে দুটি গোল করে দলকে জয় এনে দেন। সপ্তম মিনিটে ব্রাইন সিপেঙ্গারের গোলে প্রতিদ্বন্দ্বী আক্রমণ দুর্দান্ত হয়েছিল। কিন্তু কেনের নেতৃত্বে সম্মান ও বিশ্বাস নিয়ে দল নির্ভরশীল হয়ে ওঠে।
‘দলের সবাইকে নিয়ে আমি গর্বিত। ম্যাচের আগে আমরা জানতাম, এটি কঠিন লড়াই হবে। ডিআর কঙ্গো খুব ভালোভাবে রক্ষণ করেছে এবং পাল্টা আক্রমণেও ছিল বিপজ্জনক। তবে আমরা বিশ্বাস হারাইনি। বল সঠিক জায়গায় পৌঁছাচ্ছিল, আর জানতাম আমাদের কারও না কারও নায়ক হওয়ার মুহূর্ত আসবে। সৌভাগ্যবশত, আজ সেটি আমার ছিল।’
জানানো হয়েছে স্বপ্নের সত্য বিশ্বকাপে
ইংল্যান্ডের হয়ে ছোটবেলা থেকেই বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতেন হ্যারি কেন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় ইংল্যান্ডের খেলা দেখেই বড় হয়েছি। এখন মাঠে নামার সময় সেই স্মৃতিগুলো মনে পড়ে। জানি, বিশ্বের লাখো ছেলে-মেয়ে আমাদের খেলা দেখছে। তাই সবসময় উদাহরণ তৈরি করার চেষ্টা করি এবং দেশের জন্য নিজের সেরাটা দিতে চাই।’
প্রতিদ্বন্দ্বীদের জয় করে তুলেছেন সতীর্থদের উদ্যাপন
ম্যাচ শেষে কেন সতীর্থদের উদ্যাপন করার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, ‘কঠিন ম্যাচ জিতলেও আমরা অনেক সময় ঠিকভাবে উদ্যাপন করি না। কিন্তু আমরা বিশ্বকাপের পরের পর্বে উঠেছি। সমর্থকদের সঙ্গে এই মুহূর্তটা উপভোগ করা উচিত। এরপর চার দিন পর আবার নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’
