আর্জেন্টিনা কখনও সেমিফাইনালে হারেনি
আর জ ন ট ন কখনও – বর্তমান বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনা পরিচিতি পেয়েছে। কাতার আসরে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা দলটির গত চার বছরে কোপা আমেরিকাও জয় করা হয়েছে। উরুগুয়ের বিপক্ষে হারের আগে টানা ১৪ ম্যাচ জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের জন্য এই পরিসংখ্যান বর্তমান দলকে বিশাল স্বস্তি দিয়েছে।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল খেলেছে ছয়বার
১৯৩০ থেকে শুরু করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ছয় বার সেমিফাইনালে নেমেছে। কখনও কখনও বিপক্ষ হারিয়েছে দুই বার ফাইনাল পর্বে উঠেছে। তবে সেমিফাইনাল খেলার রেকর্ড সুদৃঢ়। কাতার আসরে সেমিতে মুখোমুখি হওয়া পর্যন্ত সেই পরিসংখ্যান নিশ্চিত হয়েছে।
২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা সংযুক্ত হওয়া আসরে আর্জেন্টিনা প্রথমবার এই রাউন্ডে উঠেছে। সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে দলটি। সেমিতে বিজয়ের রেকর্ড অক্ষত রাখা হয়েছে। এই সময়ে দেখা যাবে ইতিহাসে মেসিদের পক্ষে ফাইনাল মঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হবে কিনা।
ম্যারাডোনা এবং মেসির স্বাক্ষর সেমিফাইনালে
১৯৩০ সালে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের প্রথম আসরে ফাইনাল খেলেছিল। তখন উরুগুয়েতে রানার্সআপে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। নেদারল্যান্ডসকে তৃতীয় লাতিন দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পেয়েছিল দেশটি।
১৯৭৮ সালে দুই বার বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। একবার ফাইনালে উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলেছিল আলবিসেলেস্তেরা। ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে সবশেষ পর্ব হিসেবে গণিত হয়েছে।
১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে জয়ের ধারা অক্ষত রাখে। ম্যারাডোনা দুটি গোল করে ফাইনালে উঠেছিল দেশটি। এই জয়ের পর টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলেছিল দুই বার ফাইনাল পর্বে।
২০১৪ সালে ব্রাজিলে ফাইনালে মেসির দল ও ইউরোপিয়ান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেছে। করিস্থিয়ান্স স্টেডিয়ামে সেমিতে ড্র হয়েছিল। অতিরিক্ত সময়ে ডাচদের হারায় তো টানা দ্বিতীয় আসরে ফাইনালে উঠেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
গত কাতার আসরে মেসিদের সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা পেয়েছিল। ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছর পর আবারও শিরোপা ছুঁয়েছিল দেশটি। ইতিহাসে সেমিফাইনালে হারার কোনও রেকর্ড নেই আর্জেন্টিনার।
১৬ জুলাই যুক্তরাষ
