গরুর হাট: ক্রেতা আগে দেখছে বেশি, কিনছে কম
গর র হ ট – ঈদুল আজহা আসার পর রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলো বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। ট্রাক ট্রাক আসছে গরু নিয়ে, ব্যবসায়ীদের কাজ তুলনামূলক বেশি হয়েছে। তবে মানুষের উপস্থিতি বাড়লেও ক্রয় এখনো নিয়ন্ত্রিত হয়নি।
এবার ঢাকায় অস্থায়ী ২১টি কোরবানির পশুর হাট খোলা হয়েছে। যেখানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১১টি হাট রয়েছে, সেই সাথে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১০টি হাট খোলা হয়েছে। গাবতলী ও সারুলিয়া হাটের পাশাপাশি মিরপুর, বাড্ডা, খিলক্ষেত, মেরুল ও মোহাম্মদপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী বাজার চালু হয়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, যে প্রকার বিক্রি অপেক্ষা করছে কয়েকদিন পর সুদৃঢ় হবে। এ কারণে ক্রেতাদের অনেকে চায় অগ্রদিনে ক্রয় করে পরবর্তী সময়ে বিক্রি করতে না হয়।
ক্রেতাদের মধ্যে মাঝারি ও ছোট গরুর আগ্রহ বেশি। হাটে এখন আসল দাম প্রায় একই রয়েছে, কারণ গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে কিন্তু সরবরাহ প্রায় স্থিতিশীল। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ও দেখভালের ঝামেলা এটি একটি বড় প্রতিরোধ হয়েছে।
বর্তমানে ক্রেতারা বিভিন্ন হাট ঘুরে দাম পরিমাপ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। ক্রেতা মনে করেন হাটের শুরুতে বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকান। সেখানে সরবরাহ কম ও ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকায় দাম নিয়ন্ত্রিত হয়। সে কারণে অনেকে আগে গরু কিনতে চান না।
অন্য ক্রেতা জানান, পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী মাঝারি সাইজের গরু খুঁজছেন। দাম যৌক্তিক হওয়ার জন্য তাদের সরাসরি হাটে যাওয়া এবং চূড়ান্ত নির্ণয়ের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
হাটের শুরুতে বিক্রি জোরেশোরে হচ্ছে গাবতলী হাটে। বড় গরু ও মহিষের পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতার জন্য মাঝারি সাইজের পশু আনা হয়েছে। রাজধানীবাসীদের মধ্যে ঈদের আগে বেচাকেনা বৃদ্ধি পেলে গরুর ডাক ও বিক্রেতাদের হাঁকডাক ছাড়া হাটের বিশেষ চিত্র দেখা যাচ্ছে।
