ও আম র উড় ল পঙ: হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু শতবর্ষ পূর্ণ হলো
ও আম র উড় ল পঙ খ – ২০২৬ সালের রবিবার (১৯ জুলাই) হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর ১৪ বছর পূর্ণ হলো। তিনি ছিলেন একজন সাহিত্যিক এবং সংগীত সৃষ্টি করেন এমন কলাকৃতি কর্মী। তাঁর ছোট গল্প, উপন্যাস এবং শিশুতোষ উপন্যাসে বাঙালি মনের ছাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর সৃষ্টি অপরিহার্য সুরে গানে একটি অপরিহার্য উপাদান ছিল।
হুমায়ূন আহমেদ ও বাঙালি সাহিত্য ও সংগীতের সম্পর্ক
হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন কৃতিকার যাঁর কাজ বাঙালি সাহিত্য এবং সংগীত একত্র করে মানুষের জন্মানো করেছে। তিনি ছোটপর্দা এবং বড়পর্দার কাজে নির্মাণ করেন বাঙালি মনের ছাপ। তাঁর সংগীত সৃষ্টি ছিল এমন একটি অবিস্মরণীয় ছাপ। সেই ছাপ দেখা যায় তাঁর বিশিষ্ট গানগুলিতে যেমন “ও আম র উড় ল পঙ” এর সৃষ্টি।
১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি “শ্রাবণ মেঘের দিন” তাঁর দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ছবির গান “আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা” তাঁর সংগীত সৃষ্টির একটি অংশ হয়ে উঠেছিল। গানটি সুর ও সংগীত মকসুদ জামিল মিন্টু করেছিলেন এবং কণ্ঠ দিয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন।
বাঙালি জনপ্রিয়তার প্রতিফলন
আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা
গানটি হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যিক অবদানের প্রতিফলন হিসেবে নির্মাণ করেছিল বাঙালি মনকে। তাঁর সংগীত সৃষ্টি ছিল তেমন একটি প্রকাশ্য করেছে বাঙালি সংস্কৃতির ভাবনা। গানটি অপরিহার্য সুরে ছিল এবং প্রকৃতির ছবি প্রতিফলিত করেছিল।
২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “দুই দুয়ারী” ছবিতে “বরষার প্রথম দিনে” গানটি বাঙালি মনকে আরও অপরিহার্য করেছিল। গানটির সুর ও কণ্ঠ দিয়েছিলেন মেহের আফরোজ শাওন ও সাবিনা ইয়াসমিন। ছিল তাঁর সাহিত্যিক অবদানের একটি অংশ এবং গানে তাঁর প্রতিফলন ছিল বাঙালি সংস্কৃতি।
বরষার প্রথম দিনে
গানটি মাহফুজ আহমেদকে আবার গাইতে দেখা যায়। তাঁর কণ্ঠ দিয়েছিলেন ছিল গানটি এবং তাঁর সংগীত সৃষ্টি অপরিহার্য ভাবনা জাগিয়েছিল। হুমায়ূন আহমেদের ছিল সাহিত্যিক অবদান এবং সংগীত সৃষ্টি অপরিহার্য সুরে ছিল।
২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “চন্দ্রকথা” ছবিতে “ও আম র উড় ল পঙ” গানটি একটি বিশেষ মুহূর্তে পরিচয় পেয়েছিল। গানটি জমিদার আসাদুজ্জামান নূরে এবং শাওনের বিয়ের পর জমিদার বাড়িতে আয়োজিত সংগীত সন্ধ্যার আলোকে চিত্রায়িত হয়েছে। তাঁর সংগীত সৃষ্টি অপরিহ
